বৃহস্পতিবার, ২রা জুলাই, ২০২৬ ইং, সকাল ৭:২৯
শিরোনাম :
বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ত্রাণে অনিয়ম, বরখাস্ত হলেন নারীসহ ৩ জনপ্রতিনিধি

ডেক্সরিপোর্ট  ত্রাণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে ১ পৌর কাউন্সিলর, ১ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ১ নারী ইউপি সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এ নিয়ে মোট ৪২ জন জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হল। তাদের মধ্যে ১৭ জন ইউপি চেয়ারম্যান, ২৩ জন ইউপি সদস্য, ১ জন জেলা পরিষদ সদস্য এবং ১ জন পৌরসভার কাউন্সিলর।

শুক্রবার সাময়িকভাবে বরখাস্তকৃতরা হলেন- রাজশাহী জেলার চারঘাট পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাজু আহম্মেদ, ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার মনপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আমানত উল্লাহ আলমগীর এবং ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার মানকোন ইউপি’র ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নাজমিন আক্তার লাভলী।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, চারঘাট পৌরসভার কাউন্সিলর রাজু আহম্মেদের বিরুদ্ধে চাল ওজনে কম দেয়া এবং তালিকাভুক্ত ব্যক্তিকে চাল না দেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তার এমন অপরাধমূলক কার্যক্রম পৌরপরিষদসহ জনস্বার্থের পরিপন্থী বিবেচনায় স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩১(১) অনুযায়ী তাকে কাউন্সিলর পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হল।

পৃথক প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ভোলা জেলার মনপুরা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আমানত উল্লাহ আলমগীরের বিরুদ্ধে মৎস্য ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে এবং ময়মনসিংহ জেলার মানকোন ইউপির সংরক্ষিত নারী সদস্য নাজমিন আক্তার লাভলীর বিরুদ্ধে ত্রাণ প্রদানের আশ্বাস দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করার বিষয়টি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখিত চেয়ারম্যান ও সদস্য কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ মূলক কার্যক্রমের প্রেক্ষিতে তাদের দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে সমীচীন নয় মর্মে সরকার মনে করে। কাজেই স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তাদের স্বীয় পদ হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হল।

একইসময় ৩ জনকেই পৃথক পৃথক কারণ দর্শানো নোটিশে কেন তাদেরকে চূড়ান্তভাবে তাদের পদ থেকে অপসারণ করা হবে না- তার জবাব পত্র প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হয়।