শামীম আহমেদ বরিশালে প্রায় দেড় মাসে মহানগরী সহ জেলার ১০ উপজেলায় বরিশাল করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমানের নির্দেশক্রমে ভ্রাম্যামন মোবাইল টিম আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিয়াউর রহমান,নাজমুল হুদা,সাইফুল ইসলাম ও রুমানা আফরোজ প্রর্যায়েক্রমে প্রদিনই সমন্বয়ে তাদের নেতৃত্বে ও আইন শৃঙ্খলা সহায়তা বাহিনী সেনা, র্যাব ও পুলিশ সদস্যদের কঠোর দায়ীত্ব পালনকালে প্রশাসনের করোনা সংক্রমন প্রতিরোধ আইন ভঙ্গ করার অপরাধে ২শত ৯৭টি মোবাইল কোর্ট অভিযানকালে ৪শত ৬২ জন ব্যাক্তি ও ৬শত ৫৫টি বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৪৩ লক্ষ ৯১ হাজার ৯শত ৫০ টাকা জরিমানা করা সহ ৪৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদানের পাশাপাশি ১২টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়।
বরিশাল জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে প্রতিদিন বরিশাল মহানগরের ৪টি থানা এলাকা সহ বরিশাল জেলার ১০ উপজেলায় সচেতনতা সৃষ্টি,মাক্স ব্যবহার ও শারীরিক সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
গত ১২ই এপ্রিল বরিশালে প্রথম লকডাউন ঘোষনার পর থেকে ২৫ মে পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত, নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার নিয়ন্ত্রন ও মাস্ক, স্যানিটাইজার মূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য ২৯৭ টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে ৪৬২ জন ব্যক্তি ও ৬৫৫ টি প্রতিষ্ঠানকে ৪৩ লক্ষ ৯১ হাজার ৯৫০ টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভ্রাম্যমান মোবাইল কোর্ট অভিযানকালে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা ৪৯ জন ব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করার পাশাপাশি একইসাথে বিভিন্ন অভিযোগে ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠার সীলগালা করা হয় ।
বরিশাল করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এস,এম অজিয়র রহমান গণমাধ্যমকে জানায়, করোনার প্রাদুর্ভাব এড়াতে প্রথম থেকেই বরিশাল মহানগরে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এবং দশ উপজেলায় উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আসছে। আমরা আশা করছি সবাই সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্য বিধি মেনে ঘরে অবস্থান করলে আমরা নিজেরা বাচবো এবং অন্যকে বাচাবো একই সাথে আমাদের সোনার বাংলাকে করোনা মুক্ত করে সুস্থ সুন্দর দেশটাকে বাচাতে পারবো।