রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:৫৬
শিরোনাম :
রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি,দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক ইন্ডিয়া জোটের দারিদ্র্যতা,অনিশ্চিত আবাসন ও ভ্রাম্যমাণ জীবনে শিক্ষাবঞ্চিত বেদে শিশুরা আন্তর্জাতিক ভাষা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতলেন বিএম কলেজের রিফাত বিদায় বেলায় অবরুদ্ধ দুর্নীতির বরপুত্র বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা আনসার মোল্লা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে সেরা গোলকিপার রিয়াদ হোসেন পতিত আ.লীগের সন্ত্রাসীরা রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে: চিফ হুইপ বরিশালে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১০ টি নতুন উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই

চীন সফর শেষে উপহার সামগ্রী ফেলে বিমানে ওঠেন মার্কিন দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যে বেইজিং সফরে গিয়ে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সফরসঙ্গীরা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম মিরর ইউএস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফর শেষে চীন থেকে পাওয়া সব উপহার ফেলে দেওয়া হয়। এমনকি সফরে ব্যবহৃত বিশেষ ‘বার্নার ফোন’ও দেশে ফেরার আগেই ধ্বংস করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সাইবার নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি এড়াতে ট্রাম্পের সফরসঙ্গীদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে নিতে নিষেধ করা হয়েছিল। এর পরিবর্তে তাদের হাতে দেওয়া হয় অস্থায়ী ব্যবহারের জন্য ‘বার্নার ফোন’। সাধারণত বিদেশ সফরে নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতে এ ধরনের ফোন ব্যবহার করা হয়। তুলনামূলকভাবে কম প্রযুক্তিনির্ভর ও সীমিত সুবিধাসম্পন্ন হওয়ায় এসব ফোন হ্যাক হলেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।

মার্কিন প্রতিনিধিদল আমেরিকায় ফেরার আগে ব্যবহৃত ফোনগুলো ধ্বংস করে দেয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া চীনের পক্ষ থেকে দেওয়া স্মারকচিহ্ন, ব্যাজসহ বিভিন্ন উপহারও এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগেই ফেলে দেওয়া হয়।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই কিছু নির্দিষ্ট দেশে সফরের সময় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে আসছে। তাদের আশঙ্কা, মোবাইল ফোন বা অন্যান্য ডিভাইসের মাধ্যমে হ্যাকিং, ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্রবেশ করানো কিংবা গোপনে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা হতে পারে। এমনকি বন্ধ থাকা ডিভাইসও নজরদারির আওতায় আসতে পারে বলে মনে করেন গোয়েন্দারা।

সে কারণেই চীন সফরে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ব্যক্তিগত ডিভাইস ব্যবহার করেননি এবং সফর থেকে পাওয়া কোনো সামগ্রীও দেশে ফেরাননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় বুধবার বেইজিং পৌঁছান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ সময় বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্টসহ দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।