বৃহস্পতিবার, ২রা জুলাই, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:১৭
শিরোনাম :
বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অপশক্তি প্রতিহত করে সোনার বাংলা গড়াই ৭ মার্চের শপথ: কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট  আওয়ামী লীগের সাধারণ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সকল অপশক্তিকে প্রতিহত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলাই হবে তাদের সাতই মার্চের শপথ।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে রবিবার সকালে ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

সকাল ৭টার দিকে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা।

তারা চলে যাওয়ার পরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

যে বিএনপি এক সময় ৭ মার্চ পালন ‘নিষিদ্ধ’ করে রেখেছিল, সেই বিএনপি এখন ‘রাজনৈতিক কৌশল’ হিসেবে এ দিবস পালন করছে মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠকারী আর ঘোষক এক নয়। বিএনপি একজন পাঠককে স্বাধীনতার ঘোষক বানাতে চায়।’

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, মৎসজীবী লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা সাতই মার্চ উপলক্ষে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) স্বাধীনতাকামী ৭ কোটি মানুষকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম-এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

তার ওই ভাষণের ১৮ দিন পর পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি নিধনে নামলে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। নয় মাসের সেই সশস্ত্র সংগ্রামের পর আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।