সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:৪৮
শিরোনাম :
বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিককে মেয়রপ্রার্থী করল জামায়াত আওয়ামী লীগ নেতা মামা খোকন আটক ১ মাসের সাজা এড়াতে ছয় মাস পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার

জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় মুছার স্ত্রীর জিডি

ডেস্ক রিপোর্ট  চট্টগ্রামে আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় ‘পলাতক’ আসামি কামরুল ইসলাম শিকদার মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন সোমবার। পরদিনই জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামে রাঙ্গুনিয়ার থানায় এ জিডি করেন তিনি। থানার ওসি মাহবুব মিলকি বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

জিডিতে মুছার স্ত্রী পান্না দাবি করেন, তিনি বহুদিন ধরে হুমকি পেয়ে আসছেন। জবানবন্দি দেওয়ার পরও তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হোসাইন মোহাম্মদ রেজার আদালতে জবানবন্দি দেন পান্না।

মিতুর স্বামী বাবুল আক্তারের সোর্স হিসেবে পরিচিত ছিলেন মুছা। তিনিও মামলার আসামি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা গণমাধ্যমকে বলেন, পান্না আক্তার সাক্ষী হিসেবে ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে তার স্বামী মুছার সম্পৃক্তার বিষয়ে বলেছেন। তবে জবানবন্দিতে কী বলেছেন তা জানাতে পারেননি।

এর আগে আদালতে তিন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন। তখন তারা বাবুল আক্তারের নির্দেশে মুছাকে তিন লাখ টাকা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম (মিতু)। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এক পর্যায়ে তদন্তে বাদী বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধেই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার (১১ মে) ডেকে তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পরে ১২ মে বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। স্ত্রী মাহমুদা খানম (মিতু) হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল আক্তারকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। রিমান্ড শেষে প্রথমে আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার কথা থাকলেও পরে জবানবন্দি দেননি বাবুল। তারপর তাকে চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি ফেনী কারাগারে রয়েছেন।