সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৩:০২
শিরোনাম :
মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি,দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক ইন্ডিয়া জোটের দারিদ্র্যতা,অনিশ্চিত আবাসন ও ভ্রাম্যমাণ জীবনে শিক্ষাবঞ্চিত বেদে শিশুরা আন্তর্জাতিক ভাষা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতলেন বিএম কলেজের রিফাত বিদায় বেলায় অবরুদ্ধ দুর্নীতির বরপুত্র বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা

দলীয় নেতৃবৃন্দের সময়োপযোগী উপযুক্ত মূল্যায়ন চাই

শ্রদ্ধেয় নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাই সম্পর্কে কেউ কেউ বলে থাকেন যে, তিনি বরিশাল ছেড়ে দিয়ে ঢাকায় স্থায়ী হয়েছেন, সুতরাং তিনি বরিশালের রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু, ৯০ এর দশকে যারা তার সাথে যুবদল করেছেন, এমন কি মূল দল বিএনপি’র অধিকাংশ নেতা কর্মীও জানতেন যে, বেগম খালেদা জিয়া আলাল ভাইকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে সংগঠন শক্তিশালী করার কাজে অংশগ্রহনের দায়িত্ব দিয়েছিলেন এবং আলাল ভাই তাঁর শিক্ষা, বাগ্মিতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার গুণে ধারাবাহিকভাবে নেতৃত্বের উচ্চতর পদে পৌঁছে গিয়েছেন। আমি সেই সময়ে একজন যুবদল কর্মী হিসাবে চরকাউয়া ইউনিয়ন যুব দলের সভাপতির দায়িত্বে ছিলাম। আলাল ভাই তখন ছিলেন বরিশাল জেলার যুবদল সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি।

সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাইকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া ছিল বেগম খালেদা জিয়ার সাংগঠনিক নির্দেশ। সুতরাং, রাজনৈতিক ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমাদের সকলের উচিত বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্যে কান না দিয়ে পূর্বসূরী নেতাদের প্রকৃত ইতিহাস জানার চেষ্টা করা এবং বরেণ্য রাজনীতিকদের সর্বদা যথাযথ শ্রদ্ধার চোখে দেখা ও সমীহ করা। তাই আসুন যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী দল কর্তৃক প্রবীণ নেতাদের মূল্যায়নের জন্য সকলে দৃঢ়ভাবে মত প্রকাশ করি।

আরেক প্রবীণ নেতা বরিশাল সদরের উন্নয়নের অভিভাবক আজীবন ত্যাগী ও সংগ্রামী জননেতা মজিবুর রহমান সরোয়ার ভাই যেমনিভাবে দল কর্তৃক মূল্যায়িত হয়ে বার বার এমপি পদে মনোনীত ও নির্বাচিত হয়েছেন, তেমনিভাবে প্রবীণ, সুযোগ্য ও প্রজ্ঞাবান নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাইয়ের উপযুক্ত মূল্যায়ন আমরা দেখতে চাই। নাহলে দলীয় রাজনীতিতে ন্যায় বিচার প্রশ্ন বিদ্ধ হবে।

তাদের সমসাময়িক আরেকজন প্রবীণ নেতা ও চারণ সংগঠক এবায়দুল হক চান ভাই। শুধু আন্দোলন সংগ্রাম নয়, নির্বাচনী প্রচার কাজে তৃণমূল সংগঠন গড়ে তোলায় তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। পথে প্রান্তরে চষে বেড়িয়েছেন দীর্ঘকাল। তার জন্যও একইভাবে উপযুক্ত মূল্যায়ন চাই। একই সাথে তাদের উত্তরসূরী সকলের জন্য সময়োপযোগী উপযুক্ত মূল্যায়নের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত হবে এবং দলীয় রাজনীতিতে ন্যায়বিচার সমুজ্জল থাকবে, বিএনপি’র সকল নেতাকর্মী এই আকাঙ্খা ধারন করেন বলে আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি।

লেখক: মোঃ মতিউল ইসলাম রানা
সাবেক ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি
চরকাউয়া বিএনপি,বরিশাল সদর