বৃহস্পতিবার, ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:২০
শিরোনাম :
অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন রেইনকোট-মোবাইল-খাবার অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন বরিশালের নবাগত ডিআইজি র‍্যাব বিলুপ্তি করে এসআরবি গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেশ এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মানুষের হৃদয়ে অনাদিকাল বেঁচে থাকবেন আল্লামা সাঈদী: ডা. শফিকুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নতুন রণতরী, হরমুজে টানা অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের বিনা পারিশ্রমিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন মুকিত স্যার যুক্তরাজ্যের নতুন নাম ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ব্রিটেন’: নেতানিয়াহু ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান,দুদকের অভিযোগ পরিসমাপ্তি তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসায় দাখিলে শতভাগ পাস,জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন!

দলীয় নেতৃবৃন্দের সময়োপযোগী উপযুক্ত মূল্যায়ন চাই

শ্রদ্ধেয় নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাই সম্পর্কে কেউ কেউ বলে থাকেন যে, তিনি বরিশাল ছেড়ে দিয়ে ঢাকায় স্থায়ী হয়েছেন, সুতরাং তিনি বরিশালের রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু, ৯০ এর দশকে যারা তার সাথে যুবদল করেছেন, এমন কি মূল দল বিএনপি’র অধিকাংশ নেতা কর্মীও জানতেন যে, বেগম খালেদা জিয়া আলাল ভাইকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে সংগঠন শক্তিশালী করার কাজে অংশগ্রহনের দায়িত্ব দিয়েছিলেন এবং আলাল ভাই তাঁর শিক্ষা, বাগ্মিতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার গুণে ধারাবাহিকভাবে নেতৃত্বের উচ্চতর পদে পৌঁছে গিয়েছেন। আমি সেই সময়ে একজন যুবদল কর্মী হিসাবে চরকাউয়া ইউনিয়ন যুব দলের সভাপতির দায়িত্বে ছিলাম। আলাল ভাই তখন ছিলেন বরিশাল জেলার যুবদল সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি।

সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাইকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া ছিল বেগম খালেদা জিয়ার সাংগঠনিক নির্দেশ। সুতরাং, রাজনৈতিক ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমাদের সকলের উচিত বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্যে কান না দিয়ে পূর্বসূরী নেতাদের প্রকৃত ইতিহাস জানার চেষ্টা করা এবং বরেণ্য রাজনীতিকদের সর্বদা যথাযথ শ্রদ্ধার চোখে দেখা ও সমীহ করা। তাই আসুন যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী দল কর্তৃক প্রবীণ নেতাদের মূল্যায়নের জন্য সকলে দৃঢ়ভাবে মত প্রকাশ করি।

আরেক প্রবীণ নেতা বরিশাল সদরের উন্নয়নের অভিভাবক আজীবন ত্যাগী ও সংগ্রামী জননেতা মজিবুর রহমান সরোয়ার ভাই যেমনিভাবে দল কর্তৃক মূল্যায়িত হয়ে বার বার এমপি পদে মনোনীত ও নির্বাচিত হয়েছেন, তেমনিভাবে প্রবীণ, সুযোগ্য ও প্রজ্ঞাবান নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাইয়ের উপযুক্ত মূল্যায়ন আমরা দেখতে চাই। নাহলে দলীয় রাজনীতিতে ন্যায় বিচার প্রশ্ন বিদ্ধ হবে।

তাদের সমসাময়িক আরেকজন প্রবীণ নেতা ও চারণ সংগঠক এবায়দুল হক চান ভাই। শুধু আন্দোলন সংগ্রাম নয়, নির্বাচনী প্রচার কাজে তৃণমূল সংগঠন গড়ে তোলায় তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। পথে প্রান্তরে চষে বেড়িয়েছেন দীর্ঘকাল। তার জন্যও একইভাবে উপযুক্ত মূল্যায়ন চাই। একই সাথে তাদের উত্তরসূরী সকলের জন্য সময়োপযোগী উপযুক্ত মূল্যায়নের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত হবে এবং দলীয় রাজনীতিতে ন্যায়বিচার সমুজ্জল থাকবে, বিএনপি’র সকল নেতাকর্মী এই আকাঙ্খা ধারন করেন বলে আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি।

লেখক: মোঃ মতিউল ইসলাম রানা
সাবেক ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি
চরকাউয়া বিএনপি,বরিশাল সদর