নিজস্ব প্রতিবেদক বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বরিশালে লকডাউন বাস্তবায়নে বিএমপি ট্রাফিক পুলিশের কঠোর নজরদারীর কারনে নগরীর ব্যাস্ততম সড়ক গুলোতে দেখাগেছে শুনশান নিরবতা।
সোমবার(২৮জুন) নগরীর প্রবেশদ্বার দক্ষিনে কালিজিরা ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় জিরো পয়েন্ট চেকপোস্টে এবং উত্তরে রামপট্টি চেকপোস্ট সহ সদর রোড,বাংলা বাজার,আমতলার মোড়,নথুল্লাবাদ, রুপাতলী সহ মোট ৮টি চেকপোস্টে কঠোর ভাবে পুলিশি নজরদারী থাকায় পায়ে চালিত গুটি কয়েক রিকসা ছাড়া আন্তঃজেলা ও আভ্যন্তরীণ সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।

বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চেকপোস্ট গুলো পরিদর্শন কালে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক মোঃ জাকির হোসেন মজুমদার বলেছেন,সারাদেশে মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমন প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরার বিকল্প নেই।সবাই সচেতন হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে নিজে বাঁচুন, পরিবারকে বাঁচান।অকারনে বাইরে ঘোরাফিরা না করে সবাই নিজ নিজ ঘড়ে অবস্থান করে মহামারি করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধ চালিয়ে যান।
এ সময় তিনি আরও বলেন,লকডাউন চলাকালীন সময় সকল ধরনের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান, শিল্প- কারখানা,শপিং মল,দোকান,রেষ্টুরেন্ট ও চায়ের দোকান বন্ধ থাকবে।তবে কাঁচামাল,নিত্যপ্রয়োজনীয় (মুদি) পন্যর দোকান সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত স্বাস্ব্যবিধি মেনে খোলা রাখা যাবে। সকল পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

লকডাউনকালীন সকল ধরনের সাপ্তাহিক হাট/গরুর হাট বন্ধ থাকবে। জেলার অভ্যন্তরে অথবা আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার সকল ধরনের গণপরিবহন বন্ধ থাকবে।এক্ষেত্রে থ্রি হুইলার,ইজিবাইক সহ সকল যান্ত্রিক যানবাহন বিধি নিষেধ আরোপকালীন বন্ধ থাকবে। অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী সকলকে আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে।
উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক মোঃ জাকির হোসেন মজুমদার বলেন,এ সময়ে জরুরি পরিষেবা, চিকিৎসাসেবা, কৃষিপণ্য, খাদ্য সরবরাহ ও সংগ্রহ, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, ঔষধ শিল্প সংশ্লিষ্ট যানবাহন, কর্মী ইত্যাদি এবং সরকার কর্তৃক ঘোষিত অন্যান্য জরুরি পরিষেবা এর আওতা বহির্ভূত থাকবে।সরকারি-বেসরকারি অফিস বা প্রতিষ্ঠান সমুহে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা,কর্মচারী উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নিজ নিজ অফিসের ব্যাবস্থাপনায় তাদের আনা-নেয়া করতে হবে।
এ সময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন, ট্রাফিক পুলিশের টি আই বিদ্যুৎ চন্দ্র দে,সার্জেন্ট টুটুল সহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।