ডেস্করিপোর্ট কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ খাইরুল আলম বলেছেন, কুষ্টিয়ায় বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে লকডাউন প্রতিপালন করা হচ্ছে।
বুধবার (৭ জুলাই) লকডাউনের মোটর শোভাযাত্রা কালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন,সকাল ৬ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত প্রতিদিন ৭ থানার পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় বিট অফিসার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে কুষ্টিয়ায় সর্বাত্মক লকডাউনের ১৭তম দিন কার্যকর করে জনগণকে ঘরে রাখার ব্যাপারে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পুলিশের সম্মানিত ইন্সপেক্টর জেনারেল মহোদয় বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রান্তিক লোকের মাঝে নির্ভেজাল পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে দেশে ৬৬১২টি বিট পুলিশিং কার্যালয় স্থাপন করছেন এবং তারই অংশ হিসেবে কুষ্টিয়া জেলায় ৮৫টি বিট পুলিশিং কার্যালয় স্থাপন করে প্রত্যেকটা কার্যালয়ের জন্য ১ জন এসআই, ১ জন এএসআই, ২ জন কনস্টেবল কর্মরত আছে।
করোনা মহামারী কালে সকল থানা,পুলিশ ক্যাম্প ও ফাঁড়ির পাশাপাশি ৬৬১২টি বিট পুলিশিংকে কাজে লাগাতে পারলে আইন শৃঙ্খলার র্যাডিক্যাল উন্নয়ন হবে এবং লকডাউন প্রতিপালনসহ দেশের সকল ক্রান্তিলগ্নে বিট পুলিশিং গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।

কুষ্টিয়ায় লকডাউনের ১৭তম দিনেও সরেজমিনে উপস্থিত থেকে কুষ্টিয়ায় লকডাউন প্রতিপালনে জনগণকে বাধ্য করতে মুক্ষ্য ভুমিকা পালন করেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ), মোঃ ফরহাদ হোসেন খাঁন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা), মোঃ রাজিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর), মোঃ আতিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল, ওসি কুষ্টিয়া মডেল থানা, ওসি কুমারখালী, ওসি খোকসা, ওসি ভেড়ামারা,ওসি দৌলতপুর, ওসি ইবি, ওসি মিরপুর, ওসি ডিবি, টি আই (এডমিন), জেলা পুলিশ কুষ্টিয়ার সকল বিট অফিসার ও ফোর্স।