রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং, বিকাল ৫:০৫
শিরোনাম :
বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিককে মেয়রপ্রার্থী করল জামায়াত আওয়ামী লীগ নেতা মামা খোকন আটক ১ মাসের সাজা এড়াতে ছয় মাস পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার

চার দিনের রিমান্ডে পরীমণি ও রাজ

ডেস্করিপোর্ট  মাদক মামলায় আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি, তার ব্যবস্থাপক আশরাফুল ইসলাম ওরফে দীপু, প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ ও তার তার ব্যবস্থাপক মো. সবুজ আলীকে চারদিন করে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মামুনুর রশীদ তাদের চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২৬ মিনিটে তাদের ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সাতদিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে বিচারক তাদের চারদিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

বিকেলে পরীমণি, প্রযোজক নজরুল রাজসহ চারজনকে বনানী থানায় সোপর্দ করে র‌্যাব। পরে তাদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়। একটি মামলায় শামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে স্মৃতি মণি ওরফে পরীমণি এবং তার ব্যবস্থাপক ও কথিত মামা আশরাফুল ইসলাম ওরফে দীপুকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা হয়েছে। আরেকটি মামলায় নজরুল রাজ ও তার ব্যবস্থাপক মো. সবুজ আলীকে আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে পরীমণির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় বিভিন্ন মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রযোজক ও অভিনেতা নজরুল ইসলাম রাজের বাসা থেকেও বিপুল পরিমাণ মাদক, সিসার সরঞ্জাম ও বিকৃত যৌনাচরণের উপকরণ জব্দ করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার বিকালে র‌্যাব সদর দফতরে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।

রিমান্ড শুনানিতে অংশ নিয়ে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবদুল্লাহ আবু বলেন, মামলার আসামি পরীমনির বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়। যার বাজারমূল্য ২ লাখ ১১ হাজার ৫০০ টাকা। এই মাদক কোথা থেকে আসল? তার উৎস কী? কে এই মাদক পাঠাল? মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

শুনানিতে তিনি আরও বলেন, সরকার যেখানে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে, সেখানে পরীমনির বাসায় সর্বনাশা মাদক পাওয়া গেছে। দেশে যারা ভদ্র মুখোশধারী রয়েছেন তাদের খুঁজে বের করতে এই আসামিকে (পরীমনি) তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা প্রয়োজন।

শুনানিতে রিমান্ডের বিরোধিতা করেন নিলাঞ্জনা রেফাত সুরভীসহ কয়েকজন আইনজীবী। আদালত তা নাকচ করে পরীমনির ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।