অরবিন্দ রায় নরসিংদীতে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে স্ত্রী বৃষ্টি আক্তার শিল্পী কে কুপিয়ে স্বামী আক্তার হোসেন নামের একজন আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে আনোয়ার হোসেনকে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্হায় উদ্ধার করে।
এদিকে আহত স্ত্রী বৃষ্টি আক্তার শিল্পীকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠালে তার অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
আজ বুধবার বিকেলে নরসিংদী পৌর শহরের কাউরিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আক্তার হোসেন নরসিংদীর টাওয়াদী দাশপাড়া এলাকার মলিন মিয়ার ছেলে।
জানা যায়,আক্তার হোসেন, সুমি নামে একটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘর সংসার করছেন। গত এক বছর আগে বৃষ্টি আক্তার শিল্পী নামে আরেক নারীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই শিল্পীকে নিয়ে নরসিংদী পৌর শহরের কাউরিয়া পাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। সম্প্রতি নিজ বাড়িতে যাওয়া ও আগের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক সহ পারিবারিক বিষয় নিয়ে ২য় স্ত্রী বৃষ্টি আক্তার শিল্পীর সাথে মনমালিন্য চলছিলো।
এরই ধারাবাকিতায় বুধবার সকালের দিকে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে আক্তার হোসেন তার স্ত্রীকে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপাতে থাকে। এতে বৃষ্টি আক্তার শিল্পী রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অচেতন হয়ে যায়। পরে স্ত্রী মারা গেছে ভেবে আক্তার ঘরের ফ্যানের সাথে রশি ঝুলিয়ে আত্মহত্যা করে।
নিহত আক্তারের প্রথম স্ত্রী সুমি বলেন, আমি আমার স্বামীর মা বাবার সাথে টাউয়াদি দাস পাড়ায় বসবাস করি। দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই সে আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এমনকি মা বাবার সাথেও যোগাযোগ করতো না। আজ শুনতে পাই সে আত্মহত্যা করে মারা গেছে।
নিহতের খালা সাজেদা বেগম বলেন, আক্তার তার মা বাবার সাথে সম্পর্ক রাখতে চেয়েছিলো। কিন্তু তার দ্বিতীয় স্ত্রী শিল্পী তা রাখতে দিতে চাইতো না । এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ চলত।
নরসিংদী সদর থানার এস আই শাহিন বলেন, স্ত্রীকে কুপিয়ে আহত করে আক্তার হোসেন নামে এক ব্যাক্তি আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দড়জা ভেঙ্গে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়।