শুক্রবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১:০৫
শিরোনাম :
সিসা দূষণ প্রতিরোধে বিএম কলেজে সচেতনতামূলক কর্মসূচি নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নেত্রকোনায় প্রকাশ্যে সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপনের প্রতিবাদ বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান ছালেহের পিতার মৃত্যুতে রুহুল কবির রিজভীর গভীর শোক প্রকাশ জনপ্রশাসনের কাজে অসহযোগিতাকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ হতে হবে:বিসিসি প্রশাসক শিরীন বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন,সভাপতি:ফয়সাল,শিক্ষানুরাগী:মামুন-অর-রশিদ বিএম কলেজে সবুজ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএম কলেজে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র

ডেস্ক রিপোর্ট ।। ৩৩তম দেশ হিসেবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের দোরগোড়ায় বাংলাদেশ। রূপপুরের প্রথম ইউনিটের চুল্লীতে এখন চলছে বিক্রিয়া। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, পরের ধাপগুলো সফলভাবে পার করা গেলে নভেম্বরেই পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশাল বিনিয়োগের কেন্দ্রটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লীতে জ্বালানি ইউরেনিয়াম প্রবেশ করানো হয় মে মাসে। লক্ষ্য ছিল সেপ্টেম্বরের মধ্যে পারমাণবিক বিক্রিয়া থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন। কিন্তু নিরাপত্তা ভাল্বের ত্রুটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে।

অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে দু’দফা উচ্চচাপে ভাল্বের পরীক্ষায় সফল হন রাশিয়ার বিশেষজ্ঞরা। যার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে ১১ অক্টোবর চুল্লীতে বিক্রিয়া শুরু হয়। এবছরই পরীক্ষামূলকভাবে মিলতে পারে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

প্রথমে চুল্লীতে ইউরেনিয়াম পরমাণু ভেঙে শক্তি ও তাপ উৎপাদন করবে। মাসখানেক সেই উচ্চতাপ তৈরির বিক্রিয়ার বিভিন্ন সূচকও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে। তারপরের ধাপে উচ্চচাপের পানি বাষ্পে পরিণত হবে। পরে পাইপলাইনে প্রবাহিত তীব্রচাপের বাষ্প ঘোরাবে টারবাইন, যা জেনারেটর ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।

রূপপুর প্রকল্পে মোট ব্যয় ১ হাজার ২৬৫ কোটি ডলার। যার ৯০ শতাংশই এসেছে রাশিয়ার ঋণে।

দুই ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোপুরি চালু হলে দেশের ১০ ভাগ চাহিদা পূরণ করবে। পরিবেশবান্ধব জ্বালানির বিদ্যুৎ মিলবে টানা ৬০ বছর।