বুধবার, ১লা জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ৮:১৩
শিরোনাম :
বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সেমিস্টার ফি মওকুফের দাবি ছাত্র ইউনিয়নের

ডেক্সরিপোর্ট  নভেল করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাস নিতে বলা হয়েছে। তবে করোনাভাইরাসের এমন পরিস্থিতিতে এক সেমিস্টার ফি মওকুফ ও সকল ধরনের ক্লাস ও কার্যক্রম বয়কটের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।

বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ‘অধিকাংশ শিক্ষার্থীই’ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান উল্লেখ করে ছাত্র ইউনিয়ন বলছে, এ পরিস্থিতিতে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর যখন ‘তিনবেলা খেয়ে বেঁচে থাকা কঠিন’ সে সময় সন্তানের সেমিস্টার ফি ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাড়িয়েছে।

সোমবার রাজধানীর শাহবাগে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এই দাবিতে মানববন্ধন করেছে ছাত্র সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। মানববন্ধনে ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায়ের সঞ্চালনায় দাবী তুলে ধরেন সংগঠনের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল।

এ সময় সংগঠনটির নেতারা অভিযোগ করে বলেন,করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে মানুষের জীবন-জীবিকা যখন হুমকির মুখে সেই সময়ে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধু সেমিস্টার ফি আদায়ের জন্য শিক্ষার্থীদের ওপর অনলাইনে ক্লাস, পরীক্ষা, কুইজ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের যথাসম্ভব পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানিয়েছে বামপন্থী এ সংগঠনটি।

এর আগে ছাত্র ইউনিয়নের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রায় প্রত্যেকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গত অর্থবছরের ইউজিসি কর্তৃক প্রকাশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়-ব্যয় হিসেবে উদ্বৃত্ত অর্থ দ্বারা সকল শিক্ষক ও কর্মচারীর বেতন স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ে অনায়াসে দেয়া সম্ভব। তবুও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করার পেছনে অতিরিক্ত মুনাফা আদায়ের লোভ ছাড়া আর কোনো কারণ থাকতে পারে না।

এছাড়াও অনলাইন ক্লাসের বিষয়ে বলা হয়, অধিকাংশ শিক্ষার্থী মফস্বল শহর থেকে আসেন আর সেখানে মোবাইল নেটওয়ার্কের অবস্থা ধীরগতি সম্পন্ন এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ অত্যাধিক উচ্চমূল্যের বিনিময়ে যে সেবা প্রদান করে তা অতি নগন্য। এমতাবস্থায় অনলাইন ক্লাসের সুফল শিক্ষার্থীরা কতটুকু পাবে তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করে সংগঠনটি।

তবে ইউজিসি বলছে, করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরুতে তাদের সিদ্ধান্ত ছিল নতুন সেমিস্টার শুরু না করা এবং টিউশন ফি আদায় না করা। তবে করোনার এই পরিস্থিতি আরো দীর্ঘ্য সময় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে নতুন সেমিস্টার শুরু না করা গেলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেশনজটের মুখে পড়বে। আর তাতে শিক্ষার্থীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। চলমান পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতেই তাদের এমন পদক্ষেপ।