সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৩:২৭
শিরোনাম :
বিসিসি নির্বাচনে মাঠে তৎপর এনসিপির প্রার্থী আনোয়ার হোসেন শিকদার! কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে জিয়াউদ্দিন সিকদার শ্রমিকের অধিকার উপেক্ষা করে কোনো ব্যবস্থা নয়: এড.আতিকুর রহমান গণ অধিকার পরিষদ ছেড়ে এনসিপিতে যোগ দিলেন ১০ নেতাকর্মী! চ্যানেল আই’র ২৮ বছরে বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের শুভেচ্ছা এক কনস্টেবলে অতিষ্ঠ শেবাচিম হাসপাতাল ঢাকায় আরও দুটি মেট্রোরেল হবে,সাড়ে ৫৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন রূপাতলীতে শ্রমিকনেতা কাওছার হোসেনের নেতৃত্বে চাঁদামুক্ত পরিবেশে স্বস্তিতে আলফা-সিএনজি চালকরা! বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সেমিস্টার ফি মওকুফের দাবি ছাত্র ইউনিয়নের

ডেক্সরিপোর্ট  নভেল করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাস নিতে বলা হয়েছে। তবে করোনাভাইরাসের এমন পরিস্থিতিতে এক সেমিস্টার ফি মওকুফ ও সকল ধরনের ক্লাস ও কার্যক্রম বয়কটের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।

বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ‘অধিকাংশ শিক্ষার্থীই’ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান উল্লেখ করে ছাত্র ইউনিয়ন বলছে, এ পরিস্থিতিতে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর যখন ‘তিনবেলা খেয়ে বেঁচে থাকা কঠিন’ সে সময় সন্তানের সেমিস্টার ফি ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাড়িয়েছে।

সোমবার রাজধানীর শাহবাগে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এই দাবিতে মানববন্ধন করেছে ছাত্র সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। মানববন্ধনে ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায়ের সঞ্চালনায় দাবী তুলে ধরেন সংগঠনের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল।

এ সময় সংগঠনটির নেতারা অভিযোগ করে বলেন,করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে মানুষের জীবন-জীবিকা যখন হুমকির মুখে সেই সময়ে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধু সেমিস্টার ফি আদায়ের জন্য শিক্ষার্থীদের ওপর অনলাইনে ক্লাস, পরীক্ষা, কুইজ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের যথাসম্ভব পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানিয়েছে বামপন্থী এ সংগঠনটি।

এর আগে ছাত্র ইউনিয়নের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রায় প্রত্যেকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গত অর্থবছরের ইউজিসি কর্তৃক প্রকাশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়-ব্যয় হিসেবে উদ্বৃত্ত অর্থ দ্বারা সকল শিক্ষক ও কর্মচারীর বেতন স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ে অনায়াসে দেয়া সম্ভব। তবুও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করার পেছনে অতিরিক্ত মুনাফা আদায়ের লোভ ছাড়া আর কোনো কারণ থাকতে পারে না।

এছাড়াও অনলাইন ক্লাসের বিষয়ে বলা হয়, অধিকাংশ শিক্ষার্থী মফস্বল শহর থেকে আসেন আর সেখানে মোবাইল নেটওয়ার্কের অবস্থা ধীরগতি সম্পন্ন এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ অত্যাধিক উচ্চমূল্যের বিনিময়ে যে সেবা প্রদান করে তা অতি নগন্য। এমতাবস্থায় অনলাইন ক্লাসের সুফল শিক্ষার্থীরা কতটুকু পাবে তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করে সংগঠনটি।

তবে ইউজিসি বলছে, করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরুতে তাদের সিদ্ধান্ত ছিল নতুন সেমিস্টার শুরু না করা এবং টিউশন ফি আদায় না করা। তবে করোনার এই পরিস্থিতি আরো দীর্ঘ্য সময় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে নতুন সেমিস্টার শুরু না করা গেলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেশনজটের মুখে পড়বে। আর তাতে শিক্ষার্থীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। চলমান পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতেই তাদের এমন পদক্ষেপ।