সুমন হোসেন শাওন,বাবুগঞ্জ দেশে যখন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে সেই সময়ে বরিশালের বাবুগঞ্জে ঝুঁকি নিয়েই ঈদের কেনাকাটায় কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় বাড়ছে। দোকানপাট আবারও বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় এলাকার লোকজন আগেভাগেই ঈদের কেনাকাটা শুরু করেছেন।
উপজেলার বাবুগঞ্জ বাজার ও রহমতপুর বাজারে কাপড়ের দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায়, ঈদের কেনাকাটার জন্য কাপড়ের দোকানগুলোতে ক্রেতারদের উপচে পড়া ভিড়। এছাড়া মুখে মাস্ক ছাড়া কোন ক্রেতার দোকানে প্রবেশ নিষেধ থাকলেও বেশির ভাগ ক্রেতাদের মুখে মাস্ক নেই।
অনেক দোকানে বিক্রেতাদের মুখেও মাস্ক দেখা যায়নি। কেনাকাটা করতে আসা একাধিক ক্রেতা জানান, ঈদের আগে কাপড়ের দাম বেশি হয়।
এছাড়া, করোনাভাইরাসের কারনে যদি কাপড়ের দোকান বন্ধ রাখা হয় তাহলে পরিবারের জন্য নতুন পোশাক কিনতে সমস্যা হবে। এ কারণে তারা আগেভাগেই কেনাকাটা করতে এসেছেন।
সরকারি ভাবে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার নির্দেশ দেয়া হলেও বেশির ভাগ দোকানদারই সেই নির্দেশনার তোয়াক্কা করছেন না। প্রশাসন থেকে কেউ পরিস্থিতি পরিদর্শনে আসলে তারা দোকানের শ্যাটার বন্ধ করে দেন। চলে যাওয়ার পর ব্যবসায়ীরা আবার দোকান খুলে দেন।
সারাদেশে যেভাবে করোনা সংক্রমন ও মৃত্যুর হার বাড়ছে তাতে ঝুঁকি রয়ে গেছে। তাই এ সময়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রেখে ভিড় করে কেনাকাটা করাটা আত্মঘাতী।