শামীম আহমেদ বরিশাল মহানগর ও জেলায় করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব জনিত কারনে ক্ষতিগ্রস্থ খামারীদের বাচিয়ে রাখার জন্য জরুরী ভিত্তিতে ভ্রাম্যমান গবাদিপশু এবং প্লোটি চিকিৎসা কার্যক্রমের উদ্ধোধন করা হয়।
আজ সোমবার (১৮ই মে) বেলা সাড়ে ১২টায় নগরীর নভগ্রাম রোডস্থ জেলা প্রানিসম্পদ কার্যলয়ের আয়োজনে ও জেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালের সহযোগীতায় একার্যক্রম কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড, নুরুল আলম।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা অতিরিক্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ,বরিশাল সদর ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ মোঃ ইব্রাহিম খলিল ও বরিশাল সদর প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারন কর্মকর্তা ডাঃ দোলা বিশ্বাষ প্রমুখ।
এসময় জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড, নুরুল জানান, করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব দূর্যোগের মধ্যে জেলার ২ হাজার ৩শ’২৩টি প্লোটি খামার,২শ’৩০টি হাঁসের খামার ও ২ হাজার ২শত ৫৮টি গবাদি পশু গাবির খামার গুলোকে জরুরি ভিত্তিতে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যলয়ের নির্দেশক্রমে ভেটেরিনারি সার্জন কর্মকর্তারা খামারিদের চিকিৎসা প্রদান,বিভিন্ প্রজনন টিকা প্রদান করার পাশাপাশি করোনা ভাইরাস থেকে গবাদিপশু ও খামারিদের সু-রক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সচেতনতা মূলক কর্মকান্ডের সাথে সাথে নিরবিচ্ছিন্নভাবে উৎপাদন পরিবহন এবং বিপনন কাজে প্রয়োজনীয়ভাবে সহায়তা করা হয়েছে।
অন্যদিকে এসময়ের মধ্যে বরিশাল জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যলয়ের আওতায় ৫২ হাজার ৩শ’৩০ লিটার দুধ উৎপাদন করার হয়েছে।
এছাড়া ৪ লক্ষ ১২ হাজার ৩শত,৩০টি ডিম,৩২ হাজার ৭শত, ৩৫টি বয়লার ও সোনালী মুরগির খামারিদের সহযোগীতা করা হয়েছে।
তিনি আরা জানান বর্তমান করোনা মহামারি ও এক প্রকার আতঙ্ক বিরাজ করার পরও আমাদের জেলার খামারিরা তাদের কার্যক্রম ও দেশের আমিষ উৎপাদন কাজে একদিনের জণ্য তারা খামারির কাজ বন্ধ রাখে নাই।
আমাদের জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও ভেটেরিনারি সার্জন কর্মকর্তারা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।