বৃহস্পতিবার, ২১শে মে, ২০২৬ ইং, রাত ১১:০১
শিরোনাম :
গৌরনদীতে বজ্রপাতে ২ শ্রমিকের মৃত্যু বরিশালে ট্রাক থেকে লাখ টাকা চাঁদাবাজি, বহিষ্কার দুই ববি ছাত্রদল নেতা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ৪৭৫ ৫ লাখ শূন্য পদে নিয়োগ দেবে সরকার বরিশালে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নীরব ঘাতক ,বিদেশে মিশনে পদায়নে জোর লবিং বরিশালে মৎস্য ব্যবসায়ী বাবুকে কুপিয়ে হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা টোকাই মধু গ্রেফতার আরব আমিরাতের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ হামলা দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের উপ-পরিচালক বরখাস্ত

ভারতে পঙ্গপাল মারতে ১ হাজার ‘জলকামান’

অনলাইন ডেস্ক  পঙ্গপাল মারার জন্য এবার জলকামানের ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিল ভারত। কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষিকল্যাণ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৮৯টি দমকলের ইঞ্জিনের মাধ্যমে স্প্রে-সহ বিপুল পরিকল্পনা করা হয়েছে। কয়েকদিন ধরে পশ্চিম ও মধ্য ভারতের পাঁচ রাজ্য, রাজস্থান, পঞ্জাব, গুজরাত, মহারাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রদেশে কোটি কোটি পঙ্গপাল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে রাজস্থানের ২০ টি, মধ্যপ্রদেশের ৯ টি, গুজরাতের ২ টি এবং পঞ্জাবের ১ টি জেলা দখল করে রেখেছে পঙ্গপালের দল।

এবার সেই পঙ্গপালের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করে ময়দানে নামছে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রণালয়। বুধবার (২৭ মে) মন্ত্রণালয়ের তর থেকে জানানো হয়েছে, দমকলের ৮৯টি ইঞ্জিন থেকে কীটনাশক স্প্রে করার পাশাপাশি একাধিক বন্দোবস্ত করা হয়েছে। ১২০টি সার্ভে যান মোতায়েন করা হয়েছে। এ গাড়িগুলো পঙ্গপালের গতিবিধির ওপর নজরদারি চালাবে এবং সম্ভাব্য গতিপথ সম্পর্কে অনুসন্ধান চালাবে। তার পর সেই অনুযায়ী সতর্ক বার্তা দেওয়া হবে। দমকলের গাড়ি ছাড়াও সাধারণ ৪৭টি গাড়ি থেকেও কীটনাশক স্প্রে করা হবে বলে জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

এছাড়া একইভাবে কীটনাশক স্প্রে করার জন্য আরও ৮১০টি ট্রাক্টরও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে স্প্রে করা যানের সংখ্যাই প্রায় এক হাজার। প্রয়োজন অনুযায়ী সেই সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

কিন্তু কীটনাশক স্প্রে করার অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর হয়নি মহারাষ্ট্রে। বরং পতঙ্গবিভ্রাট আরও বেড়েছে মহারাষ্ট্রে। সে রাজ্যে কীটনাশক স্প্রে করতেই দু’টি দলে ভাগ হয়ে গিয়েছে পঙ্গপাল। একটি দল নাগপুরের পারসিওনির দিকে চলে গেছে। অন্য দলটি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ভাণ্ডারা এলাকায়। ফলে তাদের কাবু করা আরও মুশকিল হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন সে রাজ্যের কৃষি কর্মকর্তারা।

কেন্দ্রীয় কৃষি দপ্তরের মতে, সাধারণত দিনের বেলা দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয় পঙ্গপালরা। যাত্রাপথে উজাড় করে মাঠের ফসল। কিন্তু রাতে বিশ্রাম নেয় এই পতঙ্গের দল।তাই রাতে বিশ্রামের সময় স্প্রে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।