ডেক্সরিপোর্ট বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় এ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৩৮০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন ৬৫০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৩ জনের।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বরগুনা ব্যতিত বরিশাল বিভাগের ৫ জেলায় ১০৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এসময়ের মধ্যে বরিশাল, পটুয়াখালী ও বরগুনা ব্যতিত বাকি ৩ জেলায় ১৫ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন।
সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি মৃত্যুবরণ করা ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার বাসিন্দা জাকির হোসেন (৫৬) ও শাহাজাহান মাঝি (৭০), পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার সুনীল চন্দ্র দাস (৬০) এবং ভোলা সদরের রাজাপুর এলাকার মো. হানিফ (৬৫) এর রিপোর্টে করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। ফলে এ নিয়ে বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা গিয়ে ৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে বিদেশি নাগরিকসহ ভিন্ন জেলা (সংক্রমিত) থেকে আগত ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিনে রাখার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফলে গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ৬ জেলায় মোট ২০ হাজার ২৮৭ জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়।
যারমধ্যে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয় ১৮ হাজার ১৩৪ জনকে, আর এরমধ্যে ১৪ হাজার ৯৫১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালে (প্রতিষ্ঠানিক) কোয়ারেন্টিনে ২ হাজার ১৫৩ জন রয়েছেন এবং এ পর্যন্ত ১ হাজার ১৮০ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসা প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২০৩ জন এবং এরইমধ্যে ৬৫০ জনকে ছাড়পত্রও দেয়া হয়েছে। এছাড়া শুধুমাত্র বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ও করোনা ওয়ার্ডে মোট ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে এ পর্যন্ত। যারমধ্যে ৩০ জন করোনা পজিটিভ রোগী ও বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।
এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানিয়েছেন, বিভাগের মধ্যে এ পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৩৩৯ জন, পটুয়াখালীতে ২৮৮, ভোলায় ২১৪, পিরোজপুরে ১৭৩, বরগুনায় ১৭৮ ও ঝালকাঠিতে ১৮৮ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। যারমধ্যে গোটা বিভাগে ৬৫০ জন করোনা পজিটিভ রোগী সুস্থ হয়েছেন। যাদের এরইমধ্যে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মৃত্যু হওয়া করোনা পজিটিভ ৫৩ জনের মধ্যে বরিশাল নগরসহ জেলায় ২০ জন, পটুয়াখালীতে ১৬ জন, ঝালকাঠিতে ৮ জন, পিরোজপুরে ৪ জন, ভোলায় ৩ জন ও বরগুনায় ২ জন রয়েছেন।