সোমবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১২:৪৫
শিরোনাম :
বিএমপি’র বন্দর থানায় মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে

সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

ডেক্সরিপোর্ট  রাজধানী ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মো. সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. মইনুল ইসলাম এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকার মাসুদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. সাইফুল্লাহ মাসুদ তিন কোটি ৬৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাহেদের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা করেন। এই দুই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

আগামী ১৩ আগস্টের মধ্যে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

করোনা ভাইরাস চিকিত্সা নিয়ে প্রতারণা করার ঘটনার পর সাহেদের অপকর্ম প্রকাশ পেতে শুরু করে।

নানা অনিয়ম, প্রতারণা, সরকারের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ, করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট, চিকিৎসায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের প্রধান কার্যালয়, উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দিয়েছে র‍্যাব।

এদিকে গা ঢাকা দিয়েছেন হাসপাতালের মালিক সাহেদ। সাহেদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে র‍্যাব। তবে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে তিনি।

জানা গেছে, ব্যবসায়িক অংশীদাররাও রক্ষা পাননি সাহেদের হাত থেকে। বিভিন্ন সময়ে পাওনা পরিশোধের কথা বলে ঢাকা অফিসের টর্চার সেলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।

উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের রিজেন্ট গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে ঢোকার প্রবেশ মুখেই বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। এখান থেকেই সব অপকর্ম নিয়ন্ত্রণ করতেন সাহেদ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতারণার শিকার কয়েকজন ভুক্তভোগী বলেন, সাহেদের কাছে টাকার জন্য গিয়েছিলাম। টাকা চাওয়ামাত্রই তার লোকজন আমাদের দুই হাত ধরে থেকে ঐ রুমটির দরজা বন্ধ করে দিল। এরপরই তিনি আমাদের মারধর করতে থাকেন। এমনকি পাওনাদারকে নারী দিয়ে হেনস্তা করাও ছিল সাহেদের অন্যতম কাজ।