শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:৩৪
শিরোনাম :
বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু

ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের ন্যায়সংগত অধিকার বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেছিলেন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী

ডেক্সরিপোর্ট  মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের ন্যায়সংগত অধিকার বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেছিলেন । তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় আশ্রয়, প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করেছেন। এসব সহযোগিতা না পেলে মুক্তিযুদ্ধ দীর্ঘায়িত হতো।

তিনি বলেন, আমরা একটু অকৃতজ্ঞ কারণ, যেই মহীয়সী নারী আমাদের মহান স্বাধীনতায় এত অর্জন রাখল তাকে সেভাবে স্মরণ করতে পারিনি। তার নামে আমরা কিছু করতে পারিনি, কিছু বানাতে পারিনি। তবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আমরা ইন্দিরা মঞ্চ তৈরি করব, বঙ্গবন্ধু মঞ্চের পাশেই এ মঞ্চটি তৈরি হবে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে শনিবার বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটি আয়োজিত ইন্দিরা গান্ধীর স্মরণসভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। সভায় অংশ নেন যুগান্তর সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি সাইফুল আলম, বিএসএমএমইউ’র সাবেক ভিসি ডা. কামরুল হাসান, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সংগঠনটির আহ্বায়ক নিম চন্দ ভৌমিক, মুক্তিযোদ্ধা ড. ফজলে এলাহী প্রমুখ।

স্মরণসভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আরও বলেন, ইন্দিরা গান্ধী যখন স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেন তখন ভারতের কিছু ব্যক্তি বাধা তৈরি করে। তবে তিনি তাদের বলেছিলেন, আমি ন্যায়ের পক্ষে, জনগণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছি। একইভাবে আমেরিকায় একদল সাংবাদিক তাকে পাকিস্তান যুদ্ধের উস্কানিদাতা হিসেবে প্রশ্ন করেন। জবাবে ইন্দিরা বলেছিলেন, আমি জনগণের পক্ষে, তাদের মুক্তির জন্য আমার অবস্থান।

মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সব বর্ডার খুলে দিয়েছেন আমাদের জন্য, এক কোটি মানুষকে আশ্রয়, খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন, ২ লাখ মানুষকে প্রশিক্ষণ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করেছেন। অথচ এত অবদানের পরও আমরা ইন্দিরা গান্ধীকে সেভাবে সম্মান দিতে পারিনি, তার সম্মানে কিছু করতে পারিনি।