শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:৪৭
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

মুম্বাই হামলার আসামিকে ধরতে যুক্তরাষ্ট্রের ৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক  মুম্বাই হামলায় অভিযুক্ত পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তাইয়েবার সদস্য সাজীদ মীরের সন্ধানদাতাকে ৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এক দাপ্তরিক বিবৃতিতে বলা হয়, ২৬/১১ এর মুম্বাই হামলায় জড়িত পাকিস্তানের লস্কর-ই-তাইয়েবার সিনিয়র সদস্য সাজীদকে ধরিয়ে দিতে পারলে বা সাজীদের তথ্য দাতাকে ৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে যে কেউ এ তথ্য দিয়ে সাজীদকে ধরিয়ে দিতে পারলে তাকে ওই পরিমাণ পুরস্কৃত করা হবে।

জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তাইয়েবার সদস্য সাজীতকে ধরতে যে পুরস্কারের ঘোষণা করা হয়েছে তা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৫০ লাখ সমমান।

মার্কিন কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, সাজিদ মীর মুম্বাই হামলার অপারেশন ম্যানেজার ছিলেন এবং তার পরিকল্পনা, প্রস্তুতিতেই ওই হামলায় যত হতাহত হয়েছিল। এ নিয়ে ২০১১ সালে মার্কিন আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। এবং ২০১৯ সালে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এর মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় যুক্ত হয় সাজীদের নাম।

২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ে তাজ হোটেল ও ছত্রপতি শিবাজি রেলওয়ে স্টেশনসহ প্রায় ১২টি স্থাপনায় একযোগে সন্ত্রাসী হামলা হয়। এ হামলায় ১৬৬ জন নিহত হন। এই হামলার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তাইয়েবাকে দায়ী করে আসছে ভারত। ১০ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জঙ্গি ভারতের বাণিজ্যিক নগরীসহ প্রায় পুরো দেশকে তিন দিন ধরে অচল করে রেখেছিল। হামলাকারীদের মধ্যে আজমল কাসাব নামের একজনকে আটক করা হয়।

ভারতের দাবি, মুম্বাই হামলার মাস্টারমাইন্ড লস্কর-ই-তাইয়েবার প্রধান হাফিজ সঈদ। আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তান হাফিজ সাঈদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ দায়ের করে।

পাকিস্তান প্রথম দিকে ওই হামলার সঙ্গে নিজেদের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করে। পরে কাসাব ও ওই হামলার মূল পরিকল্পনাকারীরা পাকিস্তানি নাগরিক বলে প্রমাণিত হলে পাকিস্তান বিষয়টি স্বীকার করে নেয়। ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর ভারতে আটক আজমল কাসাবের ফাঁসি কার্যকর হয়।