শামীম আহমেদ বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদররোডে ডাঃ ইমন আলি কমপ্লেক্সের মার্কেটের টপ টেন নামের বিশাল অভিযাত ডিপার্টমেন্টাল শো-রুমে ক্রেতা সেজে ভিতরে প্রবেশ করে ঘন্টাব্যাপি বিভিন্ন বিদেশী ব্যান্ডের দামী ঘড়ি, প্যান্ট,সার্ট, কসমেটিক্স সহ বিভিন্ন আইটেমের প্রায় কোটি টাকার মালামাল লুঠপাট চালিয়ে স্টাপ ও দাড়োয়ানদের মারধর করে বেড় হয়ে যাবার স্টাপদের হাতে পাঁচজন সন্ত্রাসী হামলাকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।
ক্রেতাদের ভাব বনিতা এক প্রর্যায়ে খারাপ দেখে শো-রুম থেকে আগে-ভাগেই (৯৯৯) কল করে প্রশাসনের সহযোগীতা চাওয়া হয়।
এসময় টপ টেনের আহত স্টাপরা ঝুকি নিয়ে বরিশাল সরকারী বিএম কলেজের ইতিহাস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও বিসিসি স্টাপ রাকিব,নোহান,শাহাদৎ,সজিব ও শুভ্র নামের পাঁচ জনকে আটকে রাখতে সক্ষম হলেও বাকিরা মালামাল নিয়ে চলে যায়।
আহত স্টাপ ও টপটেন শো-রুমের ইনচার্জ মিরাজ হোসেন সহ বিভিন্ন স্টাপরা বলেন, বিকাল পাঁচটার দিকে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জনের মত একদল ক্রেতা তাদের সো-রুমে প্রবেশ করে বিদেশী ঘড়ির শো-রুম থেতে শুরু করে বিভিন্ন সাইড থেকে দামী দামী তাড়া নিতে থাকে প্রায় ঘন্টাব্যাপি তারা বিভিন্ন আইটেমের মাল হাতে নেয়। এক প্রর্যায়ে তাদের মালের বিল কে দেবে জানতে চাইলে তারা বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন ও সোহাগ নামের দু’জনের নাম বলে দ্রুত বেড় হয়ে যাবার চেষ্টা করে।
তাদের ছুটা ছুটি করেতে দেখে শো-রুম থেকে (৯৯৯) কল করে প্রবেশ পথে স্টপরা ব্যাড়িকেড দেয়ার চেষ্ঠার সময় তাদের উপর হামলা চালিয়ে মারধর ও রক্তাক্ত করে চলে যায়।
ঘটনার পরপরই কোতয়ালী মডেল থানার অফিসাররা আটকে রাখা ৫জনকে তাদের হেফাজতে নেয়। পরবর্তীতে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়।
এঘটনায় টপটেন শো-রুমের ইনচার্জ মিরাজ হোসেন থানায় আছেন। এব্যাপারে জানার জন্য বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিনকে কল করা হলে তিনি বলেন আমি জীবনে কখনো টেন্ডারবাজি লুঠপাটের রাজনীতি করি নাই। এই ধরনের যদি কোন ঘটনা হয়ে থাকলে তার ধারনা আমাকে একটি মহল রাজনৈতিকভাবে হেয় পতিপূর্ণ করার জন্য এই চক্রান্তের পথ তারা বেছে নিয়েছে। আমি এদর কারো চিনি না। আমি চাই এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে শো-রুমের হামলা ও লুঠপাটকারীদের কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।