মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং, রাত ১০:১৭
শিরোনাম :
বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বরিশালে ‘কালা বাবু’র দাম ১৫ লাখ টাকা

শামীম আহমেদ  বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলায় নিজস্ব একটি খামারে বেড়ে ওঠা ৩০মণ ওজনের ’কালা বাবু’র দাম হাঁকা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। ফ্রিজিয়ান প্রজাতির বিশাল আকারের গরুটিকে খামারি মালিক আদর করে নাম রেখেছেন ‘কালা বাবু’। গায়েগতরে বেশ উঁচু আর স্বাস্থ্যবান।দূর থেকে উৎসুক জনতা কৌতূহল নিয়ে তাকিয়ে আছেন। সাহস করে পাশে গিয়ে কেউ কেউ মুঠোফোনে ছবিও তুলছেন। দূর থেকে দেখতে হাতির মতো। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গরুটির দাম হাঁকা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা।

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের খামারি আমিনুল ইসলাম সিকদারের পরিচর্যায় বড় হওয়া কালা বাবুর ওজন প্রায় ৩০ মণ। কালা বাবু লম্বায় সাড়ে ৮ ফুট আর উচ্চতায় ৭ ফুট ৮ ইঞ্চি। সাড়ে চার বছর আগে আমিনুলের মেজ ভাই সুমন সিকদারের খামারে কালো রঙের ফ্রিজিয়ান প্রজাতির গরুর বাচ্চাটির জন্ম হয়। সাড়ে ৭ মাস বয়সে ভাইয়ের কাছ থেকে গরুটি কেনেন আমিনুল। এরপর শুধু দেশীয় খাবার খাইয়ে গরুটিকে লালনপালন করেছেন আমিনুল। শান্ত প্রকৃতির ও গায়ের রং কালো হওয়ায় শখ করে গরুটির নাম রেখেছেন কালা বাবু।

আমিনুলের গরুর খামারের দায়িত্বে থাকা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পরামর্শ অনুযায়ী ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে বড় করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বাজারে ওঠানোর চিন্তা নেই। ষাঁড়টি কিনতে বাড়িতেই লোকজন আসছেন। বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন দাম বলছেন। কিন্তু আমাদের চাহিদা ১৫ লাখ টাকা।’গরুকে তিনি নিয়মিত ছোলা, ছোলার খোসা, খেসারির ডাল, গমের ভুসি খাওয়ানো হয় বলে জানান তিনি। গরু মোটাতাজা করার জন্য কোনো ওষুধ কিংবা কোনো ক্ষতিকর খাবার খাওয়ানো হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

তাঁর দাবি, এই গরুগুলো লালনপালন করতে অনেক খরচ হয়। তাই দামও বেশি। খামারমালিক আমিনুল বিডি ক্রাইমকে জানান, বর্তমানে করোনাভাইরাসের কারণে বাজারে না নিয়ে বাড়ি থেকেই গরুটি বিক্রির চেষ্টা করছেন। তবে যদি কেউ তার নিজস্ব খামার থেকে কিনে না নেয় তাহলে এবারের কুরবানী উপলক্ষে ঢাকার এক হাটে নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান খামারের মালিক। এ ছাড়া তাঁদের খামারে আরও নয়টি বড় জাতের ষাঁড় রয়েছে।