মঙ্গলবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ৩:২৭
শিরোনাম :
দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা,দেখলেই জনমনে আতঙ্ক ! আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সাংগঠনিক সব পদ স্থগিত নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়মের ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর্মচারীরা মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর

অবশেষে সেই সজল পুলিশ কনস্টেবলে চাকরি পেলেন

ডেস্করিপোর্ট  পরিবার ভূমিহীন হওয়ায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল সাধারণ পদে উত্তীর্ণ হয়েও চাকরি হওয়ার অনিশ্চয়তায় ছিলেন সজল চন্দ্র কর্মকার। অবশেষে পুলিশ হেডকোয়ার্টার ফিরিয়ে দিলেন তার চাকরি।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক।

চাকরি প্রার্থী সজল বলেন, চাকরি ফিরে পেয়েছেন এমন খবরে তিনি পুলিশ বিভাগের প্রতি চিরকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমি বরগুনার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক স্যারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমি আনন্দিত ও গর্বিত।

সজলের বাবা অমল কর্মকার বলেন, পুলিশ কনস্টবলে আমার ছেলের চাকরি হচ্ছে জেনে আমি আজ গর্বিত ও আনন্দিত। আমি পুলিশ বিভাগকে সাধুবাদ জানাই; সঙ্গে বরগুনার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক স্যারকেও আমি ধন্যবাদ জানাই।

তিনি আরও বলেন, গত ১৯৯২ সাল থেকে আমি ও আমার পরিবার বরগুনায় বসবাস করছি। আমার ছেলে ও মেয়ের এই বরগুনায় জন্ম। তাছাড়া পটুয়াখালী জেলার লাউকাঠি গ্রামে আমার বাবার নামে যে পৈতৃক ভিটে রয়েছে, তবে সেখানে আমার নামে আধা শতাংশ পরিমাণ জমি থাকতে পারে। আমার নামে কোথাও কোনো জমি নেই। পুলিশি তদন্তের সময় আমরা সেটা জানিয়েছি। শুধু জমি না থাকার কারণে আমার ছেলেটার চাকরি হচ্ছে না। আমি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যেন আসপিয়ার মতো আমার ছেলেটার দিকেও তাকায়।

এ বিষয়ে বরগুনা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক বলেন, পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে আমাকে নিশ্চিত করেছেন তার চাকরি ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়ে। বিধি মোতাবেক এখন তার নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে বলেও তিনি জানান।