বৃহস্পতিবার, ২রা জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ৯:৩৮
শিরোনাম :
বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শীতে দেশে ৪৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা

ডেস্করিপোর্ট  শীতের মধ্যে ৪৩ বছরের সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা মধ্য ডিসেম্বর থেকে মধ্য ফেব্রুয়ারি বা বাংলা সনের পৌষ ও মাঘ মাসে শীতের আগমন ঘটার কথা থাকলেও সারা দেশে এখন একই সময়ে শীত পড়ছে না।

দেশের উত্তরাঞ্চলে শীতের তীব্রতা লক্ষ্য করা গেলেও অন্যান্য অঞ্চলে শীতের আগমন ঘটে দেরিতে। আর দেশের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ না বইলে রাজধানী ঢাকায় শীতের আগমন ততটা অনুভব করতে পারে না নগরবাসী। সময় পরিবর্তন হয়ে এখন কেবল জানুয়ারি মাসে শীতের আগমন ঘটে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ বলছে, রোববার রাজধানীতে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল, যা গত ৪৩ বছরের মধ্যে ৯ ডিসেম্বরের সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা।

গত ৫০ বছরে আবহাওয়া অধিদপ্তরের কাছে থাকা রেকর্ড অনুযায়ী, সাধারণত ৯ ডিসেম্বর দিনের বেলা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়ে থাকে।

২৫ পৌষ রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতে এর চেয়ে বেশি তাপমাত্রা বর্তমান প্রজন্ম দেখেনি এটা নিশ্চিত। এর আগের প্রজন্মেরও খুব বেশি মানুষের এই অভিজ্ঞতা হয়নি।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ৪৪ বছর আগে ১৯৭৮ সালে আজকের দিনে ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল এর চেয়ে বেশি; ৩৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু এরপর কোনো বছরই দিনের তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে ওঠেনি।

এর কারণ হিসেবে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, পশ্চিমা লঘুচাপ এর কারণ। এর ফলেই বেড়েছে তাপমাত্রা। চলতি মাসের ১১-১২ তারিখের দিকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হয়ে পশ্চিমা লঘুচাপ কেটে আবার তাপমাত্রা কমতে থাকবে।

বাংলায় বহুকাল ধরে চলে আসছে ঋতু বৈচিত্র্যে। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। বছরে এ ছয় ঋতুর দেখা বিশ্বের খুব কম দেশেই দেখা যায়।

কিন্তু দিনদিনই এ ঐতিহ্য ও গর্বের আবহাওয়া বদলে যাচ্ছে।

কৃষিপ্রধান এ দেশে আবহাওয়া বদলের ফলে দেখা দিচ্ছে নানা সমস্যা। বর্তমানে মূলত গ্রীষ্ম, বর্ষা ও শীত এ তিন ঋতুর দিকে ধাবিত হচ্ছে এ অঞ্চল।