বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:৪১
শিরোনাম :
বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন,সভাপতি:ফয়সাল,শিক্ষানুরাগী:মামুন-অর-রশিদ বিএম কলেজে সবুজ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএম কলেজে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান রুপাতলীতে বদরপুরের ঐতিহ্যবাহী মিজান সুইট মিটের উদ্বোধন দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা,দেখলেই জনমনে আতঙ্ক ! আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সাংগঠনিক সব পদ স্থগিত নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট

দক্ষতা উন্নয়ন কোর্সের উদ্দেশ্য পুলিশ সদস্যদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটানো

ডেস্করিপোর্ট  কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার মোঃ খাইরুল আলম বলেছেন,দক্ষতা উন্নয়ন কোর্সের উদ্দেশ্য পুলিশ সদস্যদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটানো।

শনিবার (২১ মে) সকাল ৯ টায় বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যের পদমর্যাদা ভিত্তিক প্রশিক্ষণের আওতাভুক্ত নায়েক ও কনস্টেবলদের ‘ দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স ‘ এর ৬ষ্ঠ ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পুলিশ লাইন্স সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনানুযায়ী বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল হতে অতিরিক্ত আইজি পর্যন্ত প্রত্যেক পুলিশ সদ‌স্যের জন্য বছরে ন্যূনতম একবার প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা আরও বাড়বে।

পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া মোঃ খাইরুল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন এবং দক্ষতা উন্নয়ন কোর্সের ৬ষ্ঠ ব্যাচের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া প্রশিক্ষনার্থী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই বাস্তব প্রশিক্ষণ পুলিশ সদস্যদের সকল কাজে আত্নবিশ্বাসী করে তুলবে; ফলে পুলিশ সদস্য পরিকল্পিত ভাবে কম ক্ষয় ক্ষতির মাধ্যমে নিখুঁত ভাবে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবে। এ জন্য পুলিশের প্রত্যেক সদস্যদের বছরে অন্তত একবার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া আরো বলেন, দক্ষতা উন্নয়ন কোর্সের উদ্দেশ্য পুলিশ সদস্যদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটানো এবং ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ পুলিশ বাহিনীর শৃঙ্খলা, শারীরিক সক্ষমতা ও সমগ্রীক উন্নয়ন ঘটবে। বাংলাদেশ পুলিশের সকল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত কোর্সের বাইরে এ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে একযোগে এ প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

প্রত্যেক পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের জন্য আলাদা আলাদা প্রশিক্ষণ কোর্স, মডিউল এবং প্রশিক্ষক থাকবেন। কনস্টেবল থেকে অ্যাডিশনাল আইজি পর্যন্ত সকল পুলিশ সদস্য এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করবেন। ২০৪১ সালের আধুনিক ও উন্নত দেশের উপযোগী পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এ প্রশিক্ষণ মাইলফলক হিসেবে সংযোজিত হবে। উল্লেখ্য, কনস্টেবল হতে অতিরিক্ত আইজি পদমর্যাদার প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের বছরে এক সপ্তাহ প্রশিক্ষণ প্রাপ্তির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রশিক্ষণ কোর্স প্রস্তুত করা হয়েছে।

এএসপি এবং তদুর্ধ্ব কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ), সারদা, রাজশাহীতে, সাব-ইন্সপেক্টর হতে ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বিপিএ, টিডিএস, টিটিএস, এসটিএস, পিএসটিএস সহ সকল পিটিসি ও ডিএমপি ট্রেনিং একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

কনস্টেবল, নায়েক এবং এএসআই পর্যায়ের প্রশিক্ষণ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের তত্ত্বাবধানে ৫৫ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিপিএ, পিটিসি, সকল ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারসহ দেশের ১০৫টি পুলিশ ইউনিটের সকল পদমর্যাদার প্রশিক্ষণ একযোগে শুরু হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা বছর চলমান থাকবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ড. এসএম ফরহাদ হোসেন, কমান্ডেন্ট (পুলিশ সুপার), ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কুষ্টিয়া, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস), মোঃ ফরহাদ হোসেন খাঁন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা) মোঃ রাজিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), মোঃ আতিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), মোঃ হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার কুষ্টিয়া, আরওআই মোঃ শহীদুজ্জামান, আরআরআই (কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ লাইন্স), এবং ৬ষ্ঠ ব্যাচের নায়েক ও কনস্টেবল পদমর্যাদার প্রশিক্ষনার্থীবৃন্দ।