বৃহস্পতিবার, ২রা জুলাই, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:১১
শিরোনাম :
বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কক্সবাজারে স্কুলশিক্ষিকাকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৩

ডেস্করিপোর্ট  কক্সবাজারে স্কুলশিক্ষিকাকে অস্ত্র ঠেকিয়ে গণধর্ষণের ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫। মঙ্গলবার রাতে সদরের পিএমখালী এলাকার একটি নির্মাণাধীন এক ভবনে অভিযান চালিয়ে এ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের ছনখোলা এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে বেদার মিয়া (২৮), কক্সবাজার সদরের উত্তর তারানিয়াপাড়ার দিল মোহাম্মদের ছেলে মোস্তাক মিয়া (২৪) ও খরুলিয়া এলাকার মৃত রশিদ আহমেদের ছেলে মো. বেলাল উদ্দিন (২২)। এর মধ্যে বেদার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

বুধবার দুপুরে র‌্যাব ১৫-এর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার নিত্যানন্দ দাশ জানান, গত ১৯ আগস্ট রাতে একজন স্কুলশিক্ষিকাকে কয়েকজন মিলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। মামলার প্রধান অভিযুক্ত বেদার মিয়া আরও তিন সহযোগীসহ ভিকটিমকে অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে নির্মাণাধীন ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা করেন।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা সবাই গণধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ আগস্ট রাতে কক্সবাজার সদরের পিএমখালীর মালিপাড়া থেকে ওই নারী তার এক ভাগ্নির মেহেদী অনুষ্ঠানে যান। সেখানে বেদার মিয়া নামে একজনের সঙ্গে পরিচয় হয়। পর দিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ওই স্বজনের বাড়ি থেকে ইজিবাইকে করে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন তিনি।

এ সময় ঝিলংজা ইউনিয়নের বাংলাবাজার ব্রিজ নামক এলাকায় পৌঁছলে বেদার ও তার সহযোগীরা অস্ত্রের মুখে তাকে আরেকটি ইজিবাইকে তুলে নেয়। পরে ওই ইউনিয়নের চান্দেরপাড়ার একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে অস্ত্রের মুখে তারা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।