রবিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১:৫০
শিরোনাম :
মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব অটো চালক নাজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ, মুল হোতাদের দ্রুত গ্রেফতার চায় এলাকাবাসী সততার কারণে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে বছরে দুই বার বদলি বিআরটিসির কর্মকর্তা জামিল! হামলা হলে ৭ দেশের এআই ও তেল স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেবে ইরান সৌদির বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা ১৩৫ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ২০ হাজার ৬৭২ যাত্রী বঙ্গবন্ধুর ম‍্যুরালে ফুল না দেয়া ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলার অপরাধে বলি বিআরটিসির কর্মকর্তা নূর-ই-আলম বিএমপি’র পুলিশ কর্মকর্তা এসআই বশিরকে নিয়ে ফের ষড়যন্ত্র, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! নিউনেস ল্যাবরেটরি স্কুলে মায়েদের মিলনমেলা, ‘মাদার্স মোমেন্ট’ অনুষ্ঠিত বিএম কলেজের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি লাকসামে ঢাকাগামী কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, চট্টগ্রাম-ঢাকা রেল যোগাযোগ বন্ধ

ইউক্রেনে ৫০ হাজার ওয়াগনার যোদ্ধা রাশিয়ার হয়ে লড়াই করছে

অনলাইন ডেস্ক  ইউক্রেনে ৫০ হাজার ওয়াগনার যোদ্ধা রাশিয়ার হয়ে লড়াই করছে বলে মনে করা হয়। তাদের কাছে অস্ত্রের প্রথম শিপমেন্ট পৌঁছে গেছে। তাতে রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র আছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দারা।

হোয়াইট হাউসের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মুখপাত্র জন কিরবি বলেছেন, ‘ওয়াগনারের কাছে যে পরিমাণ অস্ত্র পৌঁছেছে, তা আমরা খতিয়ে দেখেছি। এর ফলে যুদ্ধের গতি বা ফলাফলে কোনো প্রভাব পড়বে না। গত মাসে উত্তর কোরিয়া অস্ত্র পাঠিয়েছে। তারা আরও অস্ত্র পাঠাতে পারে। তাই আমেরিকা উদ্বিগ্ন।’

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি উত্তর কোরিয়ার নিন্দা করে জানিয়েছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন এখন অস্ত্রের জন্য উত্তর কোরিয়ার মুখাপেক্ষী। বোঝা যাচ্ছে, রাশিয়া কতটা একা ও বেপরোয়া।

যদিও এ দাবি অস্বীকার করেছে উত্তর কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই অস্ত্র সরবরাহের খবর ভিত্তিহীন। সরকারি সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া তাদের নীতিগত অবস্থান বদল করেনি। রাশিয়ার সঙ্গে তাদের কোনোরকম অস্ত্র কেনাবেচা হয়নি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে কেসিএনএ জানিয়েছে, ইউক্রেনে যে রক্তপাত হচ্ছে তার জন্য আমেরিকা দায়ী। তারা ইউক্রেনের কম বয়সীদের হাতে মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র তুলে দিচ্ছে।

বাইডেন প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র কেনাবেচার উপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা আছে। তারা সেই নিষেধাজ্ঞা ভেঙে অস্ত্র বিক্রি করেছে। রাশিয়াও ইউক্রেনে তাদের আগ্রাসন বজায় রাখতে উত্তর কোরিয়া ও ইরানের কাছ থেকে অস্ত্র কিনছে। এটা মেনে নেয়া যায় না।