শুক্রবার, ১৪ই জুন, ২০২৪ ইং, বিকাল ৫:১৯
শিরোনাম :
হাইওয়ে পুলিশ প্রধানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম হাইওয়ে পুলিশ প্রধান এর সাথে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর করলেন কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম হাইওয়ে পুলিশ এর ১৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম এর সাথে কুমিল্লা রিজিয়নের ২২ থানার অফিসার ইনচার্জদের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর কুমিল্লায় পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সে অংশ গ্রহণ করলেন হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি খাইরুল আলম স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম বগুড়ায় আইএফআইসি ব্যাংকের সিন্দুক ভেঙে ২৯ লাখ টাকা চুরি বেনজীরের দুর্নীতির তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে : দুদক জলবায়ু মোকাবিলায় ‘লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন প্রধানমন্ত্রী জম্মুতে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের বহনকারী বাসে হামলা, নিহত ১০

আজমত উল্লাকে হারিয়ে গাজীপুর সিটির মেয়র জায়েদা

ডেস্করিপোর্ট  গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আজমত উল্লা খানকে হারিয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুন।

নির্বাচনের ৪৮০ কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের মা স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুন টেবিলঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমত উল্লা খান পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ৭৩৭ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ১৬ হাজার ১৯৭।

বৃহস্পতিবার (২৫ মে) দিবাগত রাতে জেলা পরিষদ ভবনের বঙ্গতাজ অডিটোরিয়ামে এসব কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ৫৯টি ওয়ার্ডের ৪৮০ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কোনো ধরনের সংঘর্ষ ছাড়াই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে বিকেল ৪টায় শেষ হয় ভোট।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুর সিটিতে মোট ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৭৬ জন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৯২ হাজার ৭৬২ পুরুষ, ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৬৯৬ নারী ও ১৮ জন হিজড়া। এই সিটিতে ৫৭টি সাধারণ ও ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড আছে। মোট ভোটকেন্দ্র ৪৮০টি, মোট ভোটকক্ষ ৩ হাজার ৪৯৭টি।

এই নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীরা হলেন—আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আজমত উল্লা খান, টেবিলঘড়ি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুন, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এম এম নিয়াজ উদ্দিন, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজী আতাউর রহমান, গোলাপ ফুল প্রতীকে জাকের পার্টির মো. রাজু আহাম্মেদ, মাছ প্রতীকে গণফ্রন্টের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। এ ছাড়া স্বতন্ত্র থেকে মেয়র পদে ঘোড়া প্রতীকে মো. হারুন-অর-রশীদ ও হাতি প্রতীকে সরকার শাহনূর ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এবারের নির্বাচনে ভোটার ছিল ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৭৬ জন। এদের মধ্যে পাঁচ লাখ ৯২ হাজার ৭৬২ জন পুরুষ ও পাঁচ লাখ ৮৬ হাজার ৬৯৬ জন নারী এবং ১৮ জন রয়েছে তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার।

নির্বাচনে ৫৭টি ওয়ার্ডে ৪৮০টি ভোট কেন্দ্রের ৩,৪৯৭টি কক্ষে ভোট গ্রহণ কার্যক্রম চলে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে ছিল সিসি ক্যামেরা। এগুলো ঢাকা থেকে মনিটরিং করা হয়। মোট ৪,৪৩৫টি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা হয়।