সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬ ইং, রাত ৯:৩৭
শিরোনাম :
বরিশালে পার্টনারস ফর প্রসপারিটি প্রোগ্রামের আওতায় স্থানীয় সংগঠনের মাঝে চেক হস্তান্তর চার সপ্তাহের মধ‍্যে হামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: বরিশালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষায় বিনিয়োগ করুন, জীবন বদলে দিন গ্লোবাল অ্যাকশন সপ্তাহে আলোচনা সভা ইউরেনিয়াম দখল না করা পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ শেষ হবে না: নেতানিয়াহু পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামি গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে, তা আর প্রকাশ করা যাবে না নারীর সাথে সময় কাটাতে যৌনউত্তেজক সিরাপ সেবন, দুই সন্তানের জনকের মৃত্যু! বিদেশী নাগরিককে অশ্লীল ভাষায় হয়রানী,২ টিকটকার গ্রেপ্তার শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে : লস্কর মোহাম্মদ তসলিম ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট চক্র বিএনপির মুখোশ পরে বিদেশে যাবার মিশনে তদবিরে ব্যস্ত

যুদ্ধ বন্ধ করুন, বন্ধ করুন এই অস্ত্রের খেলা : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট ।। যুদ্ধ বন্ধের জন্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নারী ও শিশুরা।

তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ চাই না। আমি একজন শুধু নারী রাজনীতিক বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয় একজন মা হিসেবে বিশ্ব নেতাদের কাছে অনুরোধ করব আপনারা এই যুদ্ধ বন্ধ করুন। বন্ধ করুন এই অস্ত্রের খেলা। এই অস্ত্র প্রতিযোগিতা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে পৃথিবী জুড়ে যুদ্ধের দামামা আমরা দেখতে পাই। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ তারমধ্যে আবার ফিলিস্তিনের ওপর ইসরায়েলের হামলা।

শেখ হাসিনা আজ তার সরকারি বাসভবন গণভবনে নারী উদ্যোক্তা এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মহিলা অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত জয়িতা টাওয়ার উদ্বোধন পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, যুদ্ধ হলে অস্ত্রের প্রতিযোগিতা হলে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় আমাদের নারী এবং শিশুরা। তারাই বেশি কষ্ট ভোগ করে।

আমাদের সবরকম অভিজ্ঞতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘৭১ সালে পাকিস্তানি আর্মি আমার বাবাকে বন্দি করে নিয়ে যায়। তারপর মাকে বন্দি করে। তিনি ছোট বোন রেহানা ও ছোট ভাইসহ বন্দিখানায় ছিলেন। এমনকি তিনি সে সময় অন্তঃসত্ত্বাও ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো ফার্নিচার ছিল না, খাবার কী হবে তার কোনো নিশ্চয়তা ছিল না। কাজেই যুদ্ধের সময় যে কী ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়, সে অভিজ্ঞতা আমার আছে।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মেহের আফরোজ চুমকি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব সচিব নাজমা মোবারেক এবং জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা খান অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

জয়িতা ফাউন্ডেশনের কর্মকাণ্ড এবং নবনির্মিত জয়িতা টাওয়ারের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয়।

এর আগে আজ সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় নবনির্মিত জয়িতা ১২তলা আইকনিক টাওয়ার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশব্যাপী নারীবান্ধব পৃথক বিপণন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষে জয়িতার কার্যক্রম চালু করা হয়।