নিজস্ব প্রতিবেদক ।। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নবযোগদানকৃত ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের পদায়ন ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও সমতা নিশ্চিত করতে নবনিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের লটারির মাধ্যমে পদায়ন এবং একই সঙ্গে তাঁদের জন্য অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
নবনিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের কর্মস্থল নির্ধারণে কোনো ধরনের পক্ষপাত বা ব্যক্তিগত প্রভাবের সুযোগ না রেখে উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় লটারি অনুষ্ঠিত হয়। লটারির মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে তাঁদের পদায়নের স্থান নির্ধারণ করা হয়। এতে প্রত্যেক কর্মচারীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পদায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হয়েছে।
এদিকে, নবনিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের সরকারি চাকরির দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান এবং তাঁদের দক্ষ, দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণে সরকারি কর্মচারীদের আচরণ, নিয়মিত উপস্থিতি, শৃঙ্খলা ও আপিলসংক্রান্ত বিধি-বিধান, সরকারি কর্মচারীর ভূমিকা, দায়িত্ব ও কর্তব্য, দাপ্তরিক শিষ্টাচার, প্রটোকল সচেতনতা, মূল্যবোধ, সময় ব্যবস্থাপনা এবং কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা রক্ষাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মজীবনের শুরুতেই নবনিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের মধ্যে সততা, শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা, দায়িত্বশীলতা, সৌজন্যবোধ ও জনসেবার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, লটারির মাধ্যমে স্বচ্ছ পদায়ন এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মদক্ষতা ও মূল্যবোধ উন্নয়নের এই সমন্বিত উদ্যোগ সরকারি দপ্তরে একটি দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ, দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব কর্মীবাহিনী গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।