বুধবার, ১লা জুলাই, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:৩১
শিরোনাম :
বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

করোনায় বাংলাদেশের আর্থিক ঝুঁকি তুলনামূলক কম: দ্যা ইকোনমিস্ট

অনলাইন ডেস্ক  প্রানঘাতী মহামারী করোনা ভাইরাসের অর্থনৈতিক প্রভাবে তুলনামূলক কম ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। বিখ্যাত সাময়িকী দ্যা ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে অর্থনৈতিকভিত্তি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিচারে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর তালিকায় নবম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। সে হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায়ও এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) এর অনুপাতে সরকারি ঋণ, বিদেশি ঋণ, সুদসহ ঋণের অন্যান্য খরচ ও রিজার্ভের পরিস্থিতি এই চার সূচকে বাংলাদেশ মোটামুটি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

সম্প্রতি ইকোনমিস্টের ‘হুইচ এমার্জিং মার্কেটস আর ইন মোস্ট পেরিল’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে বিশ্বের ৬৬টি দেশের এই তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে নবম স্থানে। এই তালিকায় ভারত ১৮তম অবস্থানে, পাকিস্তান ৪৩ এবং শ্রীলঙ্কা রয়েছে ৬১তম অবস্থানে।

করোনা ভাইরাসের মহামারির অভিঘাতে কোন দেশ অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে এবং কোন দেশ তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থায় আছে, তা বুঝতে এই তালিকা করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস সংকটে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ অবস্থানে থাকা শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে রয়েছে বতসোয়ানা, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, পেরু, রাশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, সৌদি আরব, বাংলাদেশ ও চীন।

আর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা দশটি দেশের তালিকায় রয়েছে ভেনেজুয়েলা, লেবানন, জাম্বিয়া, বাহরাইন, অ্যাঙ্গোলা, শ্রীলঙ্কা, তিউনিশিয়া, মঙ্গোলিয়া, ওমান ও আর্জেন্টিনা।

ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্সের বরাত দিয়ে ইকোনমিস্ট উল্লেখ করেছে, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর বন্ড ও শেয়ারবাজার থেকে গত চার মাসে ১০ হাজার কোটি ডলারের (বা সাড়ে ৮ লাখ কোটি টাকার সমপরিমাণ) বেশি অর্থ তুলে নিয়েছে। যা ২০০৮ সালের বিশ্ব মন্দার সময়ের পুঁজি তুলে নেওয়ার চেয়ে তিনগুণ বেশি অর্থ এবার তুলে নেওয়া হয়েছে। লকডাউনের কারণে মানুষ ঘরে থাকতে বাধ্য হওয়ায় উত্পাদনও বন্ধ রয়েছে। বিশ্ব জুড়ে যোগাযোগ বন্ধ থাকায় রপ্তানি আয় কমে যাচ্ছে। সংকট মোকাবিলা করতে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর অন্তত আড়াই ট্রিলিয়ন ডলারের (প্রায় ২১৩ লাখ কোটি টাকা) প্রয়োজন হতে পারে। এই অর্থ যদি উদীয়মান দেশগুলো বৈদেশিক উত্স থেকে সংগ্রহ করতে না পারে সেক্ষেত্রে নিজেদের রিজার্ভ ভেঙে চলতে হবে।