শুক্রবার, ২রা জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ২:৫৯
শিরোনাম :
বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পাকিস্তানের তিন স্থানে পঙ্গপালের হামলা, ঝুঁকিতে দক্ষিণ এশিয়া!

অনলাইন ডেস্ক  এবার দক্ষিণ এশিয়াতে পঙ্গপালের প্রজনন ঘটছে। এতে ইতিমধ্যেই হামলার শিকার হয়েছে এ অঞ্চলের অন্যতম দুই বৃহৎ দেশ ভারত ও পাকিস্তান।

পঙ্গপাল ঠেকাতে গত ফেব্রুয়ারিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে পাকিস্তান। অন্যদিকে করোনাভাইরাসে বিধ্বস্ত ভারত দুই ফ্রন্টে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শীতকাল বৃষ্টিবহুল হওয়ায় পঙ্গপালের জন্ম ও বংশ বিস্তার ঘটেছে পাকিস্তান ও ইরানের সীমান্তবর্তী এলাকায়। পুরো পাকিস্তানের ৩৮ শতাংশ এলাকা পঙ্গপাল প্রজননের উর্বর ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ এলাকা বেলুচিস্তানে, ২৫ শতাংশ সিন্ধে এবং ১৫ শতাংশ এলাকা পাঞ্জাবে। যদি এ তিন স্পটে পঙ্গপাল নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হয় তাহলে হামলার ঝুঁকি এড়ানো যাবে না।

ইতিমধ্যে বেলুচিস্তানে জন্ম নেয়া এক ঝাঁক পঙ্গপাল এ মাসের শুরুতে হানা দিয়েছে ভারতের রাজস্থানের আজমেরে। সেখানে বিপুল ফসল নষ্ট করছে এ ঝাঁকটি। যাদের রুখতে ইতিমধ্যে ঘুম হারাম হয়ে গেছে ওই অঞ্চলের কর্মকর্তাদের। এফএও জানায়, এ মৌসুমে পঙ্গপালের হানায় শুধু পাকিস্তানেই যদি রবিশস্য যেমন গম, ডাল, আলু ইত্যাদি ১৫ শতাংশও নষ্ট হয়, তাহলে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২০৫ বিলিয়ন রুপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বেলুচিস্তানের উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ এলাকায় পঙ্গপালের প্রজনন হচ্ছে। এ প্রজনন আগামী কয়েক সপ্তাহ অব্যাহত থাকবে। এদের মধ্য থেকেই কয়েকটি ঝাঁক বয়স্ক হচ্ছে। যারা মে মাসের শেষের দিকে ইরান ও ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত এলাকায় হানা দেবে। জুন পর্যন্ত এদের চলাচল অব্যাহত থাকবে।

সংস্থাটি জানায়, ২২ জুন থেকে দক্ষিণ ইরান, ইরান-বেলুচিস্তান সীমান্ত, ওমান ও পূর্ব আফ্রিকা থেকেও পঙ্গপালের আরো কয়েকটি গ্রুপ পাকিস্তান ও ভারতে প্রবেশ করতে পারে। ফলে কয়েকটি ঝাঁকের সম্মিলিত শক্তি ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করবে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে।