শনিবার, ৩রা জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ২:১৬
শিরোনাম :
বরিশাল পেশাজীবী ফোরামের দিনব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজী আরাগচি-গালিবাফকে হত্যার ছক ইসরায়েলের, ইরানকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ুগত কারণে জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার শঙ্কা বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

বরিশালে জামাত-শিবির নেতা জুলফিকারকে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক না দেয়ার দাবী

শামীম আহমেদ  বরিশাল জেলার বাখেরগঞ্জ উপজেলার ১০ নং গারুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এ.এস.এম জুলফিকার হায়দার বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) জামায়াতের অঙ্গ সংগঠন ছাত্র শিবির নেতা।
সে তথ্য গোপন ও প্রতারনা করে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী লাভ করেন।

নির্বাচনে জয়লাভ করার পর থেকেই বর্তমান সরকার ও আওয়ামী লীগের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাদ দিয়ে জামায়াত-শিবির ও বিএনপিকে শক্তিশালী করার কর্মকান্ডে নিজেকে জড়িত করেন।

এছাড়া এলাকায় নিজেকে একজন দূর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান পরিচিতি অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে কর্মকান্ড চালিয়ে যেতে থাকেন।

যারফলে সরকারের তৃনমূল মানুষের জন্য আসা সাহায্য সহযোগীতা করে আসার সুফল ইউনিয়নের সাধারন মানুষ সুফল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতি নিয়ত।

অন্যদিকে চেয়ারম্যান জুলফিকার স্বজন প্রীতির মাধ্যমে নিজের মন মত সব কিছু করে যাচ্ছে। অপরদিকে সরকারী গভীর নলকুপ নিতে তাতে নগদ ৩০ হাজার টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে নলকুপ মেলে না।

আজ সকাল ১১টায় শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিতভাবে পাঠ এসকল দূর্নীতির সকল তথ্য তলে ধরেন গারুড়িয়া ২ নং ওয়ার্ডের নিবাচিত ইউপি সদস্য মোঃ আলাউদ্দিন হাওলাদার।

এসময় তিনি আরো বলেন,ইউনিয়নে গৃহহীনদের জন্য আসা ঘড় নেয়ার জন্য নগদ টাকা দিতে হয় তাকে।ঘড়ের মালামাল গোপনে বিক্রি করে দেওয়া,ভিজিএফ,ভিজিডি চাল,আত্বসাৎ করার পাশাপাশি বিধবা,প্রতিবন্ধী, ও বয়স্কদের ভাতার কার্ড তাও টাকার বিনিময়ে নেতে হয় তার কাছ থেকে।

চেয়ারম্যান জুিৈফকারের বিরুদ্ধে এনিয়ে বিভিন্ন সময়ে এলাকাবাশী বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে তার বিচারের দাবী জানিয়ে।

তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিমাসে সদস্যদের নিয়ে একটি সভা করার সিদ্ধান্দ থাকা সত্বেও গত ৫ বছরে একটি সভা করেন তিনি।

এছাড়া গোপনে গোপনে কতিপয় সদস্যদের স্বাক্ষর নিয়ে নিজের ইচ্ছে মত রেজুলেশন বানিয়ে পরিষদকে দূর্নীতির আতুড় ঘড় বানিয়েছে।

ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে সকল নির্বাচিত সদস্যদের সঠিকভাবে সরকারী বরাদ্ধ বন্টন করার নিয়মের আদেশ থাকা সত্বেও এই ইউনিয়নে এধরনের বিধান নাই।

তিরি আরো অভিযোগ তুলে ধরে বলেন,ইউনিয়নে নির্বাচিত ইউপি নারী সদস্যদের জন্য প্রতিমাসের সম্মানী বাবদ ৪ হাজার ৪শত টাকা দেয়ার নিয়ম থাকার পরও গত ৫ বছরে তিনি একটি টাকাও তাদের দেন নাই।

চেয়ারম্যান জুলফিকারের সকল দূর্নীতি,অনিয়ম ও অব্যবস্থার কথা অভিযোগ আকারে উপজেলা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরার পরও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় তিনি একর পর এক দূর্নীতি কাজে নিজেকে বেপরোয়া করে তোলেন।

ইউপি সদস্য মোঃ আলাউদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান জুলফিকার ১৯৮৫-৮৬ সালে বাখেরগঞ্জ থানারজামাত-শিবিরের সাথে যুক্ত ছিলেন তারও প্রমান তুলে ধরেন।

এমনকি ২০২০ সালে আমি সহ কয়েকজন নারী ইউপি সদস্য বাদী হয়ে বরিশাল জজ আদালতে মামলা করতে বাধ্য হয়েছি যা এখন আদালত তারবিরুদ্ধে সমন জারী করেন।

তাই আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে এই জামাত-শিবির নেতা জুলফিকারকে যেন নতুন করে নমিনেষন দেয়া না হয় তার জন্য তিনি সহ একাধিক গ্রামবাশী সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র কাছে দাবী জানান।