শামীম আহমেদ যাদের কারনে বাঙ্গালী জাতি আজ স্বাধীন, স্বাধীনতার পিছনে যারা নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে, এই বাঙ্গালীদের দিয়ে গেছে একটি সুন্দর ফুলের মত দেশ যার নাম বাংলাদেশ। কিন্তু যারা আমাদের জন্য নিজেদের জীবন ত্যাগ করেছে অথচ তারাই পাচ্ছে আমাদের কাছ থেকে অবহেলা,অস¤œান আর অপমান, বলার উদ্দেশ্য হল বরিশাল সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটির কথা, ভবনটি বরিশাল সদরের উত্তর আমানতগঞ্জে ৮ ই ফেব্রæয়ারি ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিত্তি প্রস্তরস্থাপন করেন। ভবনটির কাজ প্রায় শেষ হলেও এখন শুধু উদ্ধোধনের অপেক্ষায়।
কিন্তু ভবনটি চালু হওয়ার আগেই একটি অসাধু চক্র পুরাতন আসবাবপত্রের ব্যাবসায়ীরা এমন ভাবে দখল করে রেখেছে যেন ভবনটি করা হয়েছে তাদের ব্যাবসা করার জন্য। যার জন্য নষ্ট হচ্ছে ভবনটির সৌন্দর্য এবং অস¤œান,আর অপমান, অপদস্ত করা হচ্ছে যারা দেশকে স্বাধীন করেছে তাদের। এবং এর পাসেই রয়েছে স্বনামধন্য ইসলামিয়া কলেজ যার দেয়াল খেশেও রাখা হয় মাঝে মাঝে পুরাতন কাঠ, টিন, সহ নানা জিনিস পত্র যার কারনে সৌন্দর্যও হারাচ্ছে কলেজ। সুধুকি তাই মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন ছাড়াও প্রধান সড়কের পাশে^ সিটি কর্পোরেশনের ড্রেন দখল করে বছরের পর বছর ধরেই চলছে পুরাতন ব্যাবসা। এই আসবাবপত্র যখন ট্রাক থেকে উঠানো নামানো হয় তখন দেখা যায় প্রধান সড়কে যানজট। এমনকি মাঝে মধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, কি বলবো ভাই। বছরের পর বছর আমরা এদের জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছি। এই মালামালের কারনে রাস্তায় সব সময়ই যানজট লেগেই থাকে। স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, মেহেদী হাসান শুভ, আনোয়ার, রমেশ, সুরুজ, ইকবাল সহ কয়েকজন ব্যক্তি সড়ক ও মুক্তিযোদ্ধা ভবনের সামনের জায়গা দখল করে চালাচ্ছে তাদের ব্যবসা। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, আমরা এই ব্যাবসা আজকে থেকে করি না, এই ব্যবসা প্রায় ১৮-২০ বছর ধরে করছি। কেন আপনারা সড়কে যানজট করেন এবং মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন দখল করে এ ব্যাবসা করছেন। আমরা এ ব্যাবসা করি মুলত ৩-৪ বছর হয়। আমাদেরও অনেক আগে থেকেই এখানে এ ব্যাবসা। আর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন তো উদ্ধোধন হয়নায় তাই এর সামনে, আশে, পাসে মালামাল রেখে এই ব্যাবসা করি। তারাও কিছু বলছেনা না। তবে সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য তৈরি করা হয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন। আর সেই ভবন এভাবেই দখল করে চালাচ্ছে ব্যবসা। সরকারী কর্মকর্তারা ও জনপ্রতিনিধিরা দেখে না দেখার বান করে রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক আহম্মেদ সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি খোঁজ খবর নিয়ে অসাধু পুরাতন আসবাবপত্র ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।
এ বিষয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সভাপতি জসিম উদ্দিন হায়দার বলেন, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটির আশ পাশ পুরাতন ব্যবসায়ীরা দখল করে রেখেছে তা আমার জানা নেই। তবে অতি দ্রæত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি এখনই সদর উপজেলার এসিল্যান্ডকে বলে দিচ্ছি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।