নিজস্ব প্রতিবেদক ।। বরিশাল নগরীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছমত আলী খান ইনস্টিটিউশন (এ কে স্কুল) বর্তমানে শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রধান শিক্ষক এইচ এম জসীম উদ্দীন-এর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও আধুনিক শিক্ষাবান্ধব পরিকল্পনায় বিদ্যালয়টি দিন দিন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থার কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে।
শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধান শিক্ষক এইচ এম জসীম উদ্দীন উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। তার এ অর্জনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তার দক্ষ নেতৃত্ব ও শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগের কারণেই প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে সাফল্যের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়ক ক্লাস, বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এর ফলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও শিক্ষার মান আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো প্রকার অতিরিক্ত ফি নেওয়া হয় না। সরকার নির্ধারিত ফি অনুযায়ী সকল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুসরণ করেই বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রধান শিক্ষক এইচ এম জসীম উদ্দীন বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের মেধা, মনন ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনের দিকেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। একটি আধুনিক ও আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে একে স্কুলকে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হওয়ায় একাডেমিক ফলাফলেও ধারাবাহিক সাফল্য আসছে। পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রমেও শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছে।
অভিভাবকদের মতে, প্রধান শিক্ষক জসীম উদ্দীনের আন্তরিকতা, সুশাসন ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের কারণে বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা ও শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং একে স্কুল বরিশালের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।