রবিবার, ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:১৫
শিরোনাম :
কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে জিয়াউদ্দিন সিকদার শ্রমিকের অধিকার উপেক্ষা করে কোনো ব্যবস্থা নয়: এড.আতিকুর রহমান গণ অধিকার পরিষদ ছেড়ে এনসিপিতে যোগ দিলেন ১০ নেতাকর্মী! চ্যানেল আই’র ২৮ বছরে বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের শুভেচ্ছা এক কনস্টেবলে অতিষ্ঠ শেবাচিম হাসপাতাল ঢাকায় আরও দুটি মেট্রোরেল হবে,সাড়ে ৫৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন রূপাতলীতে শ্রমিকনেতা কাওছার হোসেনের নেতৃত্বে চাঁদামুক্ত পরিবেশে স্বস্তিতে আলফা-সিএনজি চালকরা! বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত

বরিশাল নগরীতে বহিরাগতদের আনাগোনা, কেন্দ্রে কেন্দ্রে দ্বন্দ্ব

ডেস্করিপোর্ট  বরিশাল নগরীতে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হঠাৎ করেই বেড়েছে বহিরাগতদের আনাগোনা। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নির্বাচনের একদিন প্রেস ব্রিফিং করে বহিরাগতদের বরিশাল ছাড়তে বলেন। বহিরাগতরা গাঁ ঢাকা দিলেও আজকে ভোর থেকে ভোটকেন্দ্রে আসতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে বরিশাল নগরীর প্রত্যকেটি কেন্দ্রে অবস্থান নিতে শুরু করে বহিরাগতরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে হতপাখার বহিরাগত। বেলা বাড়তে থাকলে হাতপাখার বহিরাগতদের সঙ্গে অপর প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

প্রায় অধিকাংশ কেন্দ্রে এ দ্বন্দ্ব ছড়িয়ে পড়ায় বরিশাল নগরজুড়ে উত্তেজনাকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।এ সময় বহিরাগতদের সরে যেতে মাইকিং করেন বিএমপি পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ)মোঃ ফজলুল করিম ফজলু।

এছাড়া লাঙ্গল মার্কার মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস তার সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে হাতাহাতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাংবাদিকদের। তিনি অভিযোগ করেন, অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান রুপন একই অভিযোগ করে বলেন, তার এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না এবং ভোটারদের কেন্দ্রে নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করছে।

এছাড়া বেশিরভাগ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ দিচ্ছেন সাংবাদিকদের কাছে।

প্রসঙ্গত, ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে বরিশাল শহরে মোতায়েন করা হয়েছে ১০ প্লাটুন বিজিবি, তিন সেকশন কোস্টগার্ড, র্যাবের ১৬টি টিম, পুলিশ-এপিবিএন-ব্যাটালিয়ান আনসারের ৪৩টি টিম। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এবং নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা ভোটের দুই দিন পর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।