বৃহস্পতিবার, ১লা অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ৯:৩৮
শিরোনাম :
রূপাতলীতে শ্রমিকনেতা কাওছার হোসেনের নেতৃত্বে চাঁদামুক্ত পরিবেশে স্বস্তিতে আলফা-সিএনজি চালকরা! বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রত্যয়,জাগুয়া ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক কামরুজ্জামান সালেহ! সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার জাসদ কার্যালয় থেকে আটক হওয়া ২৫৪ জনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

মুলাদীতে পূর্বশত্রুতার জেরে মহিলা মেম্বারের স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বরিশালের মুলাদীতে পূর্বশত্রুতার জেরে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের টুমচর গ্রামে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম মো. রুবেল শাহ (৩৮)। তিনি টুমচর গ্রামের সেকান্দার শাহের ছেলে এবং বাটামারা ইউনিয়ন পরিষদের ১,২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য নার্গিস বেগমের স্বামী।

বাটামারার হাজী গ্রুপ ও আকন গ্রুপের মধ্যে শান্তিচুক্তির ৫ মাস ১১ দিন পর হত্যার ঘটনা ঘটল। টুমচর গ্রামের আকন গ্রæপের লোকজন শান্তিচুক্তি শর্ত ভেঙে মোকছেদ আকন, মুরাদ হোসেন ফারুকের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে রুবেল শাহকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে দাবি করেছেন নিহতের স্বজনেরা।

রুবেল শাহ বাটামারার হাজী গ্রুপের লোক ছিলেন এবং সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (জাপা) প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপুর লাঙল প্রতীকের পক্ষে কাজ করছিলেন। হামলাকারীরা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মো. আমিনুল হক কবিরের ঈগল প্রতীকের লোক ছিলেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

তবে পুলিশের দাবি, এটা নির্বাচনী সহিংসতা নয়, হাজী ও আকন গ্রæপের দ্বন্ধের হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

নিহতের স্ত্রী নার্গিস বেগম বলেন, রুবেল নরসিংদী জেলায় বিরিয়ানির ব্যবসা করতেন। সংসদ নির্বাচনে জাপা প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে তিন দিন আগে বাড়িতে আসেন। আজ সকালে রুবেল বাড়ি থেকে জাগরনী বাজারে যাওয়ার পথে মোকছেদ আকনের বাড়ির সামনে পৌঁছালে লোকমান হোসেন, মুরাদ হোসেন ফারুক, রফিক সরদার, আব্বাস ব্যাপারী, মনির সরদার, আ. রাজ্জাক, দুলাল হাওলাদারসহ ৩০-৩৫ জন লোক রামদা, চাপাতি ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা রুবেলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে চলে যায়। সংবাদ পেয়ে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে বরিশাল হাসপাতালে নেওয়ার পথে খাসেরহাট এলাকায় তার মৃত্যু হয়।

বাটামারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. সালাহ উদ্দীন অশ্রæ বলেন, রুবেল লাঙল প্রতীকের পক্ষে কাজ করছিলেন। তবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা নিয়ে কারও সঙ্গে দ্বন্ধ কিংবা বাগাবিতন্ডা হয়নি। বাটামারা ইউনিয়নে হাজী ও আকন গ্রæপের মধ্যে প্রায় ২৩ বছর ধরে বিরোধ ছিল। বরিশাল জেলা পুলিশ ও মুলাদী থানা-পুলিশের মধ্যস্থতায় ২০২৩ সালের ২২ জুলাই ওই দুই পক্ষের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি হয়েছে। পূর্ব শত্রæতার জেরে শান্তি চুক্তি ভেঙে একটি গ্রæপ রুবেলকে কুপিয়ে হত্যা করে থাকতে পারে।

মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া বলেন, পূর্বশত্রæতার জেরে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো থানায় মামলা হয়নি। হত্যায় জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।