শুক্রবার, ২রা অক্টোবর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:১৪
শিরোনাম :
ঢাকায় আরও দুটি মেট্রোরেল হবে,সাড়ে ৫৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন রূপাতলীতে শ্রমিকনেতা কাওছার হোসেনের নেতৃত্বে চাঁদামুক্ত পরিবেশে স্বস্তিতে আলফা-সিএনজি চালকরা! বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রত্যয়,জাগুয়া ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক কামরুজ্জামান সালেহ! সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার

নতুন অর্থবছর থেকে স্থায়ী দোকানের মাধ্যমে টিসিবির পণ্য দেয়ার চেষ্টা চলছে : বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট ।। নতুন অর্থবছর থেকে স্থায়ী দোকানের মাধ্যমে টিসিবির পণ্য দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। সেসব স্থায়ী দোকানে নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্তের পাশাপাশি মধ্যবিত্তদেরও ন্যায্যমূল্যে টিসিবির পণ্য সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (২ জুন) রাজধানীর মিরপুরে শেখ ফজলুল হক মনি খেলার মাঠে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, অস্থায়ীভাবে টিসিবির পণ্যটি দিতে চাই না। আগামী অর্থবছর থেকে স্থায়ী দোকানের মাধ্যমে পণ্যগুলো দিতে চাই, যাতে সুবিধাভোগীরা তাদের সময়মতো পণ্যগুলো নিতে পারে। এ প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। ডিলারদের অনুরোধ করবো, আপনারাও এই ব্যবস্থা করুন।

দোকান স্থায়ী হয়ে গেলে প্রায় ১০ হাজারের মতো নেটওয়ার্ক তৈরি হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন শুধু নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য দিচ্ছি। আমরা যেন মধ্যবিত্তদেরও ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ করতে পারি, সে পরিকল্পনা আমাদের আছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী অর্থবছরে টিসিবির একটি বাফার স্টক (বাজার স্থিতিশীল রাখতে পণ্য মজুদের কৌশল) তৈরি করার চেষ্টা করবো। যাতে বিভিন্ন সময় বাজারে পণ্যের ঘাটতি দেখা দিলেও দামটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি। সেই বাফার স্টক থেকে পণ্য সরবরাহ করতে পারি। এ জন্য রাশিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তি সই করেছি। আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে চুক্তির চেষ্টা করছি, যাতে সুলভ মূল্যে টিসিবির মাধ্যমে সেসব দেশ থেকে পণ্যগুলো নিয়ে আসতে পারি এবং ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে পারি।