মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং, সকাল ৭:৫৭
শিরোনাম :
সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিককে মেয়রপ্রার্থী করল জামায়াত আওয়ামী লীগ নেতা মামা খোকন আটক

পদ হারাচ্ছেন বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ

অনলাইন ডেস্ক  বিজেপির সভাপতি পদ হারাতে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামী ২০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে অমিত শাহর উত্তরাধিকারী হিসেবে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সর্বোচ্চ পদে বসতে চলেছেন কার্যনির্বাহী সভাপতি জেপি নাড্ডা।

বুধবার নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে দেশটির প্রভাবশালী গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। রাজ্যের পাশাপাশি সর্বভারতীয় সভাপতি পদেও এই পরিবর্তন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

খবরে বলা হয়, আগামী ২০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হতে পারে বিজেপির নতুন সভাপতির নাম। বর্তমান কার্যনির্বাহী সভাপতি জেপি নাড্ডাকে অমিত শাহের স্থলাভিষিক্ত করার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন বছরে রাজ্যে বিজেপির সাংগঠনিক রদবদলের পর দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতেও এ পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

অমিত শাহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই তার জায়গায় নতুন সভাপতি আনার কথা শুরু হয়। কিন্তু তখনই পূর্ণ দায়িত্ব না দিয়ে অমিতকে মাথায় বসিয়ে রেখে কার্যনির্বাহী সভাপতি করা হয়েছিল দলের আরেক প্রবীণ নেতা জেপি নাড্ডাকে।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, বিজেপিতে নতুন সভাপতি নির্বাচন হবে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ মেনেই। নাড্ডা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন বলেই তাদের বিশ্বাস।

বিজেপি ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভের পরে মোদি সরকারের মন্ত্রিসভায় সুযোগ পান অমিত শাহ। তারপর ২০১৯-এর জুলাইয়ে নাড্ডাকে দলের কার্যকরী সভাপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশাপাশি অমিত শাহ সভাপতির দায়িত্বও সামলাচ্ছিলেন।

গত নির্বাচনে নাড্ডা রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য উত্তরপ্রদেশে বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে ছিলেন। সেখানে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এবং বহুজন সমাজ পার্টির মহাজোটের বিরুদ্ধে কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়েও সাফল্য এনে দিয়েছিলেন। তার ছকেই উত্তরপ্রদেশের ৮০টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৬২টিতে জয়লাভ করে বিজেপি।

এছাড়াও মোদি সরকারের প্রথম মন্ত্রিপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছিলেন নাড্ডা এবং বিজেপির সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী শীর্ষ সংসদীয় বোর্ডের সদস্যও ছিলেন।