মঙ্গলবার, ১লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৮:৩১
শিরোনাম :
নানা আয়োজনে বরিশালে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পদ্মা সেতুতে বাস উল্টে নারী-শিশুসহ আহত ৮ ডা. অমিতাভের কাছে তিনটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান সহ হাজারো রোগী জিম্মি, মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুত করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার খুলছে সুন্দরবন সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে আরও কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার কর্মীকে বিনা খরচে মালয়েশিয়া পাঠানোর নির্দেশ কোলের সন্তান বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস, থাকতে পারে আরও পাঁচ দিন তুরস্কের পর কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল পাকিস্তান

অন্য দেশে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না উহান ঘুরে আসা পাইলট-ক্রুদের

ডেক্সরিপোর্ট  চীনের উহান থেকে ঘুরে আসা বাংলাদেশ বিমানের পাইলট-ক্রুদের অন্য কোনো দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সিঙ্গাপুর না করে দিয়েছে, চীনফেরত পাইলটরা তাদের দেশে ঢুকতে পারবে না। ফলে তারা আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারছেন না।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে করোনাভাইরাস নিয়ে বিশেষ আরেকটি সভা হয়। ওই সভার পরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, চীনের হুবেই প্রদেশ থেকে আরও ১৭১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরে আসতে চাইছেন। কিন্তু বাংলাদেশ বিমানে তাদের আনতে সমস্যা হচ্ছে। কেননা, এর আগে ৩১৪ জন বাংলাদেশিকে আনতে যে ফ্লাইট গিয়েছিল, সেটি পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত পাইলট ও ক্রুদের অন্য দেশে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এ কারণে নতুন করে যারা আসতে চাইছেন, তাদের চীনের কোনো এয়ারলাইন্সের ভাড়া করা প্লেনে আনার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে যারাই বাংলাদেশে আসবেন, তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে অনন্ত ১৪ দিন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কেবিনেটে করোনাভাইরাস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কেবিনেট বৈঠকের পর ২০ থেকে ২৫ জন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করেছেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে, যেভাবেই হোক এই ভাইরাস আমাদের দেশে ঢোকা রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে। যথা সম্ভব চীন থেকে উহান যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কারণ আমরা ঝুঁকি নিতে চাইছি না।

এ সময় সচিবের কাছে চীনে প্লেন যাতায়াত বন্ধ থাকবে কি-না, জানতে চাওয়া হলে, তিনি বলেন, এখন প্রতিদিন চীনে চারটি ফ্লাইট যাচ্ছে। প্রতি ফ্লাইটে ১০ থেকে ১২ জন যাত্রী হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এয়ারলাইন্সগুলো নিজেরাই ফ্লাইট বন্ধ করে দেবে।

উল্লেখ্য, চীনে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় দেশটির উহান সিটিতে থাকা শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরিয়ে এনেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এজন্য গত শুক্রবার উহানে পাঠানো হয় ৪১৯ জন যাত্রী বহনে সক্ষম বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর উড়োজাহাজ ‘আকাশ প্রদীপ’। শনিবার তিন শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে ঢাকায় আসে উড়োজাহাজটি।

চীনফেরত আসা এসব শিক্ষার্থীদের আশকোনা হজ্বক্যাম্পে রাখা হয়েছে। ১৪ দিন ধরে তারা কোনো আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না।

চীনের উহান থেকে শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনার পর উড়োজাহাজ ‘আকাশ প্রদীপ’কে জীবাণুমুক্ত করতে প্রায় ১২ ঘণ্টা সময় লেগেছে বিমানের প্রকৌশল বিভাগের। তবে ফ্লাইটের বর্জ্য নিয়ে বেকায়দায় পড়েছে বিমান কর্তৃপক্ষ। কীভাবে এগুলো ধ্বংস করা যাবে তার কোনও উপায় বের করতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা।