শুক্রবার, ৩রা জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ৯:০৫
শিরোনাম :
আরাগচি-গালিবাফকে হত্যার ছক ইসরায়েলের, ইরানকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ুগত কারণে জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার শঙ্কা বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী

বড় কোম্পানিগুলো বাড়ি থেকে স্থায়ীভাবে কাজ করার পরিকল্পনা করছে

অনলাইন ডেস্ক  প্রাণঘাতী মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে বিপর্যস্ত স্বাভাবিক জীবনযাপন। হাজার হাজার মার্কিনী তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরতে অপেক্ষা করছেন। তবে সবকিছু আগের মত হলেও অনেকে অফিসে গিয়ে হয়ত আর কাজ করতে পারবেন না। কেননা দেশটির অনেক বড় বড় কোম্পানি স্থায়ীভাবে তাদের কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করে নেওয়ার আলোচনা করছেন।

ইতিমধ্যে মোন্ডেলেজ, ন্যাশনওয়াইড, বারকলেস কর্তৃপক্ষ অফিস এরিয়া কমাতে এবং তাদের অনেক কর্মীদের স্থায়ীভাবে বাসা থেকে কাজ করার আলোচনা শুরু করেছে।

সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে লকডাউনের কারণে ইতিমধ্যে অনেক মার্কিনী বাসা থেকে অফিসের কাজ করছেন এবং এতে অফিসের কাজের তেমন ক্ষতি হয়নি।

ন্যাশনওয়াইড ইনস্যুরেন্স কোম্পানি ইতিমধ্যে কাজের নতুন এক মডেল ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি তাদের কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

অন্যদিকে স্ন্যাকস ও চকোলেট উৎপাদক জায়ান্ট করপোরেশন মোন্ডেলেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন দেশে তাদের অফিস কমিয়ে আনা এবং বাসা থেকে কর্মীদের কাজ করার পরিকল্পনা করছে।

সেইসঙ্গে বারকলেস কর্তৃপক্ষও জানিয়ে দিয়েছে তাদের হয়তো প্রত্যেক কর্মীদের অফিসে গিয়ে আর কাজ নাও করতে হতে পারে।

এদিকে ইতিমধ্যে টুইটার নিজেদের কর্মীদের আজীবন বাসায় থেকে অফিস করার অনুমতি দিয়েছে। টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জ্যাক ডরসি এক ইমেইলে কর্মীদের এই অনুমতি দেন। কর্মীরা চাইলে সব কাজ বাসায় বসেই করতে পারবেন।

করোনা ভাইরাসের আবির্ভাবের পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলছে লকডাউন। এর পর থেকে হাজারো কর্মী বাসা থেকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।