সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:০৮
শিরোনাম :
মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি,দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক ইন্ডিয়া জোটের দারিদ্র্যতা,অনিশ্চিত আবাসন ও ভ্রাম্যমাণ জীবনে শিক্ষাবঞ্চিত বেদে শিশুরা আন্তর্জাতিক ভাষা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতলেন বিএম কলেজের রিফাত বিদায় বেলায় অবরুদ্ধ দুর্নীতির বরপুত্র বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা

ইরানের সঙ্গে হয় অর্থবহ চুক্তি, নয়তো কোনো চুক্তিই নয়: ডোনাল্ড ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে এক কঠোর বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে যেকোনো চুক্তি হতে হলে তা হতে হবে অত্যন্ত অর্থবহ এবং আমেরিকার স্বার্থের অনুকূলে, অন্যথায় কোনো চুক্তিই সই করবে না ওয়াশিংটন।

নিজের পোস্টে ট্রাম্প সরাসরি উল্লেখ করেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে তা হবে একটি ‘মহা এবং অর্থবহ চুক্তি’, আর তা না হলে আদৌ কোনো চুক্তি হবে না। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যকে তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের কৌশলের ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বার্তার ঠিক আগেই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও প্রায় একই ধরনের সুর মিলিয়ে একটি কড়া বক্তব্য দেন। রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হয় ইরানের সঙ্গে একটি শক্তিশালী ও স্থায়ী চুক্তি নিশ্চিত করবে, আর তা সম্ভব না হলে সম্পূর্ণ ভিন্ন উপায়ে তেহরানের মুখোমুখি হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ‘ভিন্ন উপায়ের’ হুঁশিয়ারি এবং পরবর্তীতে ট্রাম্পের অনমনীয় অবস্থান থেকে এটি পরিষ্কার যে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তার রোধে এবং তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন কোনো ধরনের ছাড় দিতে রাজি নয়। ওয়াশিংটনের এমন কঠোর অবস্থানের পর ইরান এই বিষয়ে কী প্রতিক্রিয়া দেখায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।