বৃহস্পতিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:০৩
শিরোনাম :
অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন রেইনকোট-মোবাইল-খাবার অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন বরিশালের নবাগত ডিআইজি র‍্যাব বিলুপ্তি করে এসআরবি গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেশ এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মানুষের হৃদয়ে অনাদিকাল বেঁচে থাকবেন আল্লামা সাঈদী: ডা. শফিকুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নতুন রণতরী, হরমুজে টানা অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের বিনা পারিশ্রমিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন মুকিত স্যার যুক্তরাজ্যের নতুন নাম ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ব্রিটেন’: নেতানিয়াহু ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান,দুদকের অভিযোগ পরিসমাপ্তি তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসায় দাখিলে শতভাগ পাস,জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন!

শপথ নিলেন সুলতান মনসুর

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণফোরাম থেকে নির্বাচিত নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আজ বৃহস্পতিবার শপথ নিয়েছেন। বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী নিজ কার্যালয়ে তাঁকে শপথ করান।

সুলতান মোহাম্মদ মনসুর গণফোরাম থেকে মনোনয়ন নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে মৌলভীবাজার-২ আসনে নির্বাচিত হন। আজই গণফোরাম থেকে নির্বাচিত আরেক নেতা সিলেট-২ আসন থেকে নির্বাচিত মোকাব্বির খানেরও শপথ নেওয়ার কথা ছিল।

গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে কাল (বৃহস্পতিবার) শপথ না নেওয়ার। তবে পরে শপথের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হবে।’ গতকাল গণফোরাম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘অনিবার্য কারণবশত’ মোকাব্বির খান বৃহস্পতিবার শপথ নিচ্ছেন না। দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টুর স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আর কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

গণফোরামের এই দুই নেতার শপথ নিয়ে নানা নাটকীয়তা হয়। গত জানুয়ারি মাসেই তাঁরা শপথ নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। এ নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে সমালোচনা হয়। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দুজন আবার জানান, তাঁরা মার্চের প্রথমার্ধে শপথ নেবেন। তবে দল তখনো বলে, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘোষণা অনুযায়ী মোকাব্বির শপথ না নিলেও সুলতান মোহাম্মদ মনসুর শপথ নিলেন। ডাকসুর সাবেক ভিপি ও আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মনসুর গত নির্বাচনের আগে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হলে তিনি জোটের শীর্ষ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য হন। নির্বাচনের আগে তিনি গণফোরামের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করে দলীয় মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঐক্যফ্রন্টের সমর্থন পান। নির্বাচনের পর থেকেই শপথ নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেন তিনি। এ নিয়ে বিরোধ দেখা দেওয়ায় নির্বাচনের পর থেকে ঐক্যফ্রন্টের কোনো বৈঠকে অংশ নেননি এই নেতা।
প্রাথমিকভাবে জোটের মনোনয়ন না পেলেও শেষ মুহূর্তে সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থিতা বাতিল হলে সমর্থন পান মোকাব্বির। গণফোরামের প্রতীক উদীয়মান সূর্য নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন তিনি।