মোস্তাফিজার রহমান,জাহাঙ্গীর,ফুলবাড়ী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে গতকয় দিনের টানা বর্ষণ আর উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যায় পানিবন্দী হয়েছেন ৩০ হাজারের বেশি মানুষ। এবারের বন্যায় উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়নের অশিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
বন্যায় পানিতে তলিয়ে গেছে রাস্তা-ঘাট। অনেকের বসতঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন আশ্রয়কেন্দ্রে কেউবা বেরিবাঁধে।গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেকেই।দুর্শশায় দিনযাপন করছেন বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ।
এই যখন অবস্হা তখন বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের দুর্ভোগে জরুরী ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার(১৪ জুলাই) উপজেলার ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নে বিকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্যাকবলিত এলাকার ৩০০টি পরিবারের মাঝে জিআর প্রকল্পের আওতায় চাল ও সাবান বিতরণ করা হয়েছে।তাছারা একই সময় ৪০ টি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়।
ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে নৌকায় করে বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে তা বিতরণ করেন ভাঙ্গামোড় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান বাবু।
লুৎফর রহমান বাবু জানান তার এলাকায় ২ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দী আর বরাদ্দ পেয়েছেন মাত্র ৩৪০ জনের।এটা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। তিনি এলাকায় বন্যার্তদের জন্য দ্রুত পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ সহায়তা দেয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানান।
অপরদিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বন্যাকবলিত পরিবারের মধ্যহতে ২৪০ জনের মাঝে জিআর চাল, সাবান ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।বুধবার(১৫ জুলাই) সকালে বন্যাকবলিত এলাকায় এবং দুপুরে ফুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বানভাসিদের মাঝে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন ইউনিয়নটির চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ হারুন।
বড়ভিটা ইউনিয়নের বড়ভিটা কমিউনিটি ক্লিনিক চত্বরে দুপুরে ইউনিয়নটির ৩০০ জনের মাঝে জি আর প্রকল্পের আওতায় চাল ও সাবান বিতরণ করা হয়েছে।বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খয়বর আলী মিয়া এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।