মঙ্গলবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, রাত ৪:৩৩
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে বাস উল্টে নারী-শিশুসহ আহত ৮ ডা. অমিতাভের কাছে তিনটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান সহ হাজারো রোগী জিম্মি, মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুত করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার খুলছে সুন্দরবন সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে আরও কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার কর্মীকে বিনা খরচে মালয়েশিয়া পাঠানোর নির্দেশ কোলের সন্তান বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস, থাকতে পারে আরও পাঁচ দিন তুরস্কের পর কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল পাকিস্তান বরিশাল জেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

ভোলায় ’গলাকাটা’ গুজব ছড়ানোর অপরাধে যুবক আটক

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলায় মোবাইলে কল, ফেসবুকে পোস্ট ও ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে গলাকাটা এবং ছেলে ধরার গুজব ছড়ানো অপরাধে আঃ সহিদ হাওলাদার(২৪) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

এসময় তার কাছ থেকে গুজব ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত একটি স্মার্ট ফোন জব্দ করা হয়। আটক আঃ সহিদ হাওলাদার চরফ্যাশন উপজেলার চর মাদ্রাজ ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আলী হাওলাদারের ছেলে।

বুধবার বিকেল ৩টার দিকে তাকে চরফ্যাশন উপজেলার চর মাদ্রাজ থেকে আটক করে পুলিশ।

চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সামছুল আরেফিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে আঃ সহিদ হাওলাদার উপজেলা ও গ্রামের মানুষকে ফোন করে ও ফেসবুকে পোস্ট এবং ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে শিশুদের গলা কেটে নেয়া হচ্ছে ও ছেলে ধরারা শিশুদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে এমন গুজব ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছিল।২/৩ দিন ধরে তাকে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছিল, কিন্তু সে একের পর এক স্থান পরিবর্তন করার কারণে ধরা যায়নি।

তিনি আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা অভিযান চালিয়ে গুজব ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত স্মার্ট ফোনসহ তাকে আটক করি।
ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে দোষ স্বীকার করেছে এবং এ কাজে তার সঙ্গে আরও দু’জন রয়েছে বলে জানান। আপাতত তাদের নাম প্রকাশ করা যাবে না। ওই দু’জনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, গত ৮/১০ দিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন মানুষকে ফোন করে, ফেসবুকে এবং ম্যাসেঞ্জারের গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে মাথা কাটা ছবি, ভয়ভীতি মূলক লেখা পোস্ট এবং ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়ে মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছিল।