বৃহস্পতিবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২০ ইং, রাত ২:২৮
শিরোনাম :
মা ইলিশ রক্ষা করতে গিয়ে হামলায় আহত পুলিশ পোলট্রি ও ডেইরি শিল্পের সুরক্ষায় সরকার নীতিমালা তৈরি করছে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অল্প সুদে ঋণ দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী গণধর্ষণের ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা রায়হানুল গ্রেফতার ভোলায় এক ঘণ্টার জন্য পুলিশ সুপার হলেন স্কুলছাত্রী রিমি বরিশালে গণনাট্য সংস্থার একযুগ পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ইলিশ শিকারের দায়ে ভ্রাম্যমান আদালতে দুই জেলের কারাদন্ড হাজী সেলিমের ছেলে ইরফানের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তভার ডিবিতে যাচ্ছে হোয়াইট হাউসকে করোনার হট জোন করেছেন ট্রাম্প ট্রাফিক আইন মেনে চলুন, ট্রাফিক পুলিশকে সহায়তা করুন: ডিসি জাকির হোসেন মজুমদার

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ১৫ দিন পর এইচএসসি পরীক্ষা

ডেক্সরিপোর্ট  মহামারী করোনার কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ১৫ দিন পর নেয়া হবে এইচএসসি পরীক্ষা। বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের সমন্বয়ে গঠিত আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা হয়নি। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ১৫ দিন পর পরীক্ষা নিতে আমরা প্রস্তুত আছি। পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তিনি আরও বলেন, এ বছরের জেএসসি পরীক্ষার্থীদের নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণের ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে যে, স্কুলগুলো নিজস্ব প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করতে পারবে। যেহেতু পরীক্ষা আমরা নিতে পারব কিনা- এখনও জানি না, তাই এই সিদ্ধান্ত। তবে নভেম্বরের দিকে স্কুলগুলো খুলে দিতে পারলে ডিসেম্বরে এই পরীক্ষা নেয়া হবে।

বৈঠক সূত্র জানায়, জেএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হলে নিজস্ব পদ্ধতিতে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বছরের প্রথম আড়াই মাসের ক্লাস কার্যক্রম, সংসদ টেলিভিশন ও অনলাইনে ক্লাস কার্যক্রমের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। যে প্রতিষ্ঠান যতটুকু পড়াতে পেরেছে, ততটুকুর ভিত্তিতে মূল্যায়ন হবে। এ ব্যাপারে শিক্ষা বোর্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে গাইডলাইন দেবে। সিলেবাসের কতটুকু বা কোন অংশ পড়ানো হবে সেটি নির্ধারণে বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিটকে (বেডু) দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। গাইডলাইন তৈরির ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণিতে সিলেবাসের যে অংশটুকু পড়ানো সম্ভব হবে না তার প্রয়োজনীয় অংশটুকু নবম শ্রেণিতে পড়ানোর নির্দেশনা থাকবে। এ নির্দেশনা পাঠানো হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে।