সোমবার, ১০ই মে, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:১৬
শিরোনাম :
নারীর সাথে সময় কাটাতে যৌনউত্তেজক সিরাপ সেবন, দুই সন্তানের জনকের মৃত্যু! বিদেশী নাগরিককে অশ্লীল ভাষায় হয়রানী,২ টিকটকার গ্রেপ্তার শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে : লস্কর মোহাম্মদ তসলিম ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট চক্র বিএনপির মুখোশ পরে বিদেশে যাবার মিশনে তদবিরে ব্যস্ত বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৪৩ রোগী প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের ডাক পেলেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদল নেতা তানজিল কনটেন্ট ক্রিয়েটর পাভেল মুন্সির মনগড়া অভিযোগে তদন্ত কর্মকর্তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা, স্থানীয়দের ক্ষোভ! তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় চীনের জনগণ ও সরকার প্রেমিককে পেতে মুসলিম হলেন হিন্দু তরুণী,বিয়ে হলেও মিথ্যা মামলায় প্রেমিক তামিম জেল হাজতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে শনিবারের ছুটি বাতিল সরকারি চাকরিজীবীদের

হতাশায় নিজের বাইকে আগুন দিলেন পাঠাও চালক

ডেস্করিপোর্ট  ট্রাফিক পুলিশের ওপর বিরক্ত হয়ে নিজের মোটরসাইকেলে পেট্রল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন পাঠাও চালক।

সোমবার সকালে রাজধানীর বাড্ডা লিংক রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। বাইক পোড়ানোর সেই ঘটনায় পথচারীরা ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দিয়েছেন, যা ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ফুটপাতের পাশের ড্রেনঘেঁষে দাঁড় করানো মোটরসাইকেলটি দাউ দাউ করে জ্বলছে। ওই মোটরসাইকেলচালক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। রাস্তায় এদিক-ওদিকে চিৎকার করে কিছু একটা বলছেন। একসময় হাতে থাকা হেলমেটটি জ্বলতে থাকা মোটরসাইকেলের ওপর ছুড়ে মারেন। এ সময় আশপাশের লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও তিনি বাধা দেন। আগুন নেভাতে মগে করে পানি নিয়ে আসেন এক যুবক। তবে তাকে বাধা দেন পাঠাও চালক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা ও বাড্ডা থানা পুলিশ জানিয়েছে, পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটির মালিকের নাম শওকত আলী। ট্রাফিক পুলিশ তার থেকে বাহনের কাগজপত্র ও লাইসেন্স দেখতে চাইলে এ নিয়ে বাদানুবাদ হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে শওকত আলী নিজেই পেট্রল দিয়ে নিজের মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে তাকে পুলিশ বাড্ডা থানায় নিয়ে গেলেও ছেড়ে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, ছোট দোকান চালিয়ে সংসার চালাতেন শওকত আলী। করোনায় ব্যবসাটিও বন্ধ হয়ে যায়। তাই বাধ্য হয়ে গত কয়েক মাস ধরে মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ার করে সংসার চালাচ্ছিলেন তিনি।

গুলশান ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার রবিউল ইসলাম বলেন, ‘মোটরসাইকেলগুলো রাস্তার পাশে এমনভাবে দাঁড় করিয়ে রাখে, এতে গাড়ি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। গুলশানের লিংক রোডে যানজটের সৃষ্টি হয়। তাই দায়িত্বরত পুলিশ সার্জেন্ট মোটরসাইকেলচালকদের কাগজপত্র নেন। আর সবার মতো শওকত আলীরও কাগজপত্র চেক করতে চায় দায়িত্বরত পুলিশ। তার কাগজপত্র নেওয়া হলেও তার মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দেওয়া হয়নি। মামলা দেওয়ার আগেই তিনি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।’

বাড্ডা থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বাইক পোড়ানোর ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে শওকত আলীকে থানায় এনে এ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। আটকের উদ্দেশ্যে নয়; থানায় এসে তিনি আমাকে জানিয়েছেন— আগেও কয়েকটি মামলা হয়েছে তার গাড়ির বিরুদ্ধে। আজকে যখন পুলিশ তার কাগজপত্র নিয়েছে, তখন তিনি হতাশায় নিজের গাড়িতে আগুন দিয়েছেন। তার কাগজপত্র নেওয়া হলেও তার মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দেওয়া হয়নি। মামলা দেওয়ার আগেই তিনি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন।