সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:২৮
শিরোনাম :
আগস্টের মধ্যেই বাস্তবায়িত হচ্ছে নতুন পে-স্কেল হুথিরা কোথা থেকে হামলা চালাচ্ছে খুঁজে পাচ্ছে না সৌদি আরব আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী বরিশালে জুলাই জাগরণ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্ত্রীকে মারধর ও কোটি টাকা যৌতুক দাবির মামলায় টিকটকার মামুন কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য কুমিরে ঘেরা খাল খনন শুরু করছে ইসরায়েল সাংবাদিক শফিকের মুক্তির দাবীতে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন, ফায়ার সার্ভিস,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি

ক্রমাগত দখলে সংকুচিত হয়ে পড়েছে নড়াইলের চিত্রা নদীর সাড়ে ৩ কিলোমিটার

উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:নড়াইল শহরের বুকের পাশ দিয়ে বয়ে জায়া সেই স্রোতস্বিনী চিত্রা নদী অজ দখলদারদের হয়ে বেচে আছে। কিন্তু সাম্প্রতিক দশকে দখল আর রূষণে চিত্রা নদী শ্রীহীন হয়ে পড়েছে। চিত্রা নদীর সেই সৌন্দর্য্য আর নেই। নেই জৌলুস। ক্রমাগত দখলের কারণে চিত্রা নদী সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

তবে জেলা প্রশাসন স‚ত্রে জানা গেছে, দখলদারদের তালিকা যাচাই বাছাই শেষে অচিরেই তাদের উচ্ছেদ করা হবে।এক সময় চিত্রা নদী চুয়াডাঙ্গা জেলার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ঝিনাইদহ ও মাগুরা হয়ে নড়াইল জেলায় প্রবেশ করেছে। নড়াইল জেলার মধ্যে ৪৬ কিলোমিটার অতিক্রম করে নদীটি খুলনা জেলার সীমান্তে গাজীরহাটে আতাই নদে মিশেছে। সেটি গিয়ে খুলনার রুপসা নদীতে মিশেছে। নড়াইল শহরের শেখ রাসেল সেতু থেকে শুরু করে রুপগঞ্জ বানিজিক বাজার ও খাদ্য গুদাম ঘাট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার জুড়ে চলছে দখলদারদের তৎপরতা।

সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিত্রা নদীর দখলদারদের তালিকা কতকাল ধরে জে করা হয়েছে তার কনো ঠিক ঠিকানা নেই। এদিকে তার পরেও বাদ সাদ দিয়ে নড়াইল সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভ‚মি) কার্যালয়ের তালিকায় চিত্রা নদীর দখলদাররা হলেন, মহিষ খোলার আলম শেখ, তোতা মোল্যা, কুদ্দুস আকুঞ্জি, আইয়ুব মুন্সী, আবু জাফর, মরিয়ম বেগম, রওশনারা খাতুন, জয়নব বেগম, নাছির মৃধা, রেনু বেগম, দেলোয়ার হোসেন, আনোয়ারা বেগম, মো: শরীফ, তহমিনা খানম, জাহানারা বেগম, তিুত মিয়া, জাকির হোসেন, আদুস ছাত্তার, তোতা মোল্যা, জাকির হোসেন, আকলিমা রহমান, মাও: শফিউল­াহ, সৈয়দ মুশফিকুর রহমান, লালিয়া বেগম, মিন্টু, সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান, নান্নু মোল্যা, মঈনউল­হ দুল‚, জিয়াউর রহমান, বাহাউদ্দিন মোল্যা ও মোকাদ্দেস গাজী। ভওয়াখালীর মুজিবর রহমান, বিল­াল হোসেন, শাহীন শরীফ, ইমরান শেখ, সাজ্জাদ হোসেন, মনিরুল ইসলাম, জহুরুল হক, সৈয়দা ফারহানা দিল রুবা ও আজাহার মোল্যা। লস্কার পুরের বুলু সিকদার ও শাহাজাহান, কুড়িগ্রামের রবিউল ইসলাম, আকাশ মোল্যা, নজরুল ইসলাম, রশিদ বেপারী। পঙ্কবিলার চরবিলার মাও: আবু জাফর এবং কমলা পুরের জীবন রতন কুন্ডু।

এ ব্যাপারে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী শাহনেওয়াজ তালুকদার বলেন, জেলা প্রশাসনের দায়িত্ব নদীর সীমানা চিহ্নিত করা ও দখলদারদের উচ্ছেদ করা। নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে কি না তা দেখার দায়িত্ব পাউবোর।

সদরের সহকারি কমিশনার (ভ‚মি) বলেন, বিগত ৬ মাস আগে চিত্রা নদীর দখলদারদের তালিকা করা হয়েছে। সবার শুনানীও সম্পন্ন হয়েছে। উচ্ছেদের জন্য এক মাসের মধ্যে নথি জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হবে। দখলদারদের তালিকা যাচাই বাছাইয়ের কাজ চলছে। যাচাই বাছাই শেষে দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।