মঙ্গলবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং, রাত ৪:২৩
শিরোনাম :
সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিককে মেয়রপ্রার্থী করল জামায়াত আওয়ামী লীগ নেতা মামা খোকন আটক

হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক ।। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুমোদন দিয়েছে ইসরাইলের মন্ত্রিসভা। গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

ইসরাইলের একটি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ কথা জানায়।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন নেতানিয়াহু। এ সময় চুক্তির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, উত্তর ইসরাইলের বাসিন্দারা তাদের বাড়িঘরে ফিরে যাবেন।

লেবাননে হামলার প্রতি ইঙ্গিত করে নেতানিয়াহু বলেন, হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি বাহিনী পিছু হটিয়ে দিয়েছে। তারা কয়েক দশক আগের অবস্থায় চলে গেছে। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হিজবুল্লাহ যদি চুক্তি লঙ্ঘন করে, আমরা তাদের ওপর হামলা চালাব।’

ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যের চেহারা পাল্টা দিচ্ছে জানিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির মানে হলো ইরানের হুমকি মোকাবিলায় এখন বেশি জোর দেওয়া যাবে।

ইসরাইলের মন্ত্রিসভায় লেবাননে যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুমোদন হওয়ার পর এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সময় গতকাল মঙ্গলবার বেলা আড়াইটায় বক্তব্য দেওয়ার কথা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে।

এর আগে যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি ও হিজবুল্লাহ নেতা নাইম কাসেম।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন শুরু হয়। তখন থেকেই হামাস ও ফিলিস্তিনের সমর্থনে ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাতে জড়ায় হিজবুল্লাহ।

এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা এ সংঘাত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে তীব্র হয়ে ওঠে। ইসরাইল লেবাননে স্থল অভিযান শুরু করে এবং হিজবুল্লাহর কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে হত্যা করে।