মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং, সকাল ৭:৪৮
শিরোনাম :
সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ঘাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর তিন দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে হবে: শিক্ষা মন্ত্রী জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিককে মেয়রপ্রার্থী করল জামায়াত আওয়ামী লীগ নেতা মামা খোকন আটক

পাকিস্তানে ইমরান খানকে মুক্তি দিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক ।। ভারত শাসিত কাশ্মীরের পেহেলগামে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার পর চরম অবনতি ঘটেছে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক। যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘাতে জড়াতে পারে দুই দেশ। এমতাবস্থায় জাতীয় স্বার্থে রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে কারাবন্দী ইমরান খানকে মুক্তি দেওয়ার দাবি তুলেছে দেশটির প্রধান বিরোধী দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তান ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

প্রতিবেদনে ডন জানিয়েছে, সোমবার (২৮ এপ্রিল) পাকিস্তানের সিনেটে সর্বদলীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছে পিটিআই। অবিলম্বে একটি সর্বদলীয় সম্মেলন (মাল্টি-পার্টি কনফারেন্স) আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে দলটি, যেখানে ইমরান খানের উপস্থিতি নিশ্চিতের দাবি তাদের।

দলটির পার্লামেন্টারি নেতা সিনেটর আলী জাফর বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য একপাশে রেখে এখন দেশের স্বার্থে ঐক্য জরুরি। বর্তমান পরিস্থিতিতে একমাত্র সঠিক পদক্ষেপ সর্বদলীয় বৈঠক। ইমরান খান এমন বৈঠকে অংশ নিলে পাকিস্তান ঐক্যবদ্ধ— এমন বার্তা দেওয়া যাবে বিশ্বকে। আর এতে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।

নরেন্দ্র মোদির সরকারের মনোভাবকে ‘নাৎসি মানসিকতার’ সঙ্গে তুলনা করে আলী জাফর বলেন, ভারত মিথ্যা অভিযোগে পাকিস্তানকে দোষারোপ করছে, অথচ পাকিস্তান নিজেই সন্ত্রাসবাদের শিকার।

সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার পর কাশ্মীরে এটিই সবচেয়ে বড় হামলা। পরোক্ষভাবে পাকিস্তান এ হামলায় জড়িত, এমন অভিযোগ তুলে বুধবার দেশটির সঙ্গে ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত করে ভারত। পাশাপাশি আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয় দেশটি। জবাবে সিমলা চুক্তি স্থগিত ও ভারতীয় বিমানের জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা দেয় পাকিস্তান। স্থগিত করে দেওয়া হয় ভারতের সঙ্গে সব রকম বাণিজ্যও।