মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:৩৩
শিরোনাম :
দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা,দেখলেই জনমনে আতঙ্ক ! আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সাংগঠনিক সব পদ স্থগিত নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়মের ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর্মচারীরা মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক রিপোর্ট ।। দুর্যোগপরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে আগাম সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রতিটি ঘরকেই দুর্যোগ মোকাবিলার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে হবে। দুর্যোগের প্রথম আঘাত যেহেতু পরিবার ও বাসাবাড়ির ওপর আসে, তাই দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যক্তি ও পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ একটি অত্যন্ত দুর্যোগপ্রবণ দেশ। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ এখানকার মানুষের নিত্যসঙ্গী। এর সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান নেতিবাচক প্রভাব। সম্প্রতি নেপালে হিমবাহধসে হাজারো মানুষের প্রাণহানির ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটি দেশের জীবন-জীবিকা কতটা তছনছ করে দিতে পারে, তা নেপালের ঘটনাই প্রমাণ করে।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে উষ্ণতা বৃদ্ধি এখন আন্তর্জাতিক উদ্বেগের বিষয়। জলবায়ু পরিবর্তনের পেছনে বাংলাদেশের ভূমিকা একেবারেই নগণ্য হলেও এর সবচেয়ে বড় শিকার হতে হচ্ছে এ দেশের মানুষকে। জলবায়ুজনিত ঝুঁকির কারণে দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ মানুষকে চরম মূল্য দিতে হবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের এক বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অর্জন তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা অনেক বাড়লেও এখনো অনেক ক্ষেত্রে উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগকালীন সম্মুখসারির যোদ্ধা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো নেই। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিতে যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ভূমিকম্পের ঝুঁকি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অব্যবস্থাপনার কারণেই মূলত ভূমিকম্পে প্রাণহানির আশঙ্কা বহুগুণ বাড়ে। তাই ভবন ও আবাসন নির্মাণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মানদণ্ড মেনে চলার ওপর জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা ও দূষণ বন্ধ করে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ কমিয়ে আনার আহ্বান জানান তিনি।